ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক
চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২৫ ১৪:৫৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজারের চকরিয়ায় ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে নতুন তিনটি বাঘ সংযুক্ত করা হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের লিংগোফু প্রদেশ থেকে ‘ফ্যালকন ট্রেডার্স’ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আনা বাঘগুলো বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তবে সেগুলোকে বাসি ও দুর্গন্ধযুক্ত মাংস খাওয়ানোর অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার ভোরে বাঘগুলো সাফারি পার্কে পৌঁছে। পার্ক সূত্রে জানা গেছে, এগুলো সাব এডাল্ট শ্রেণির বাঘ, বয়স আনুমানিক ১১-১৪ মাস। বাঘগুলো আনার পরপরই খাবারের প্রয়োজন হলে আগের দিনের রাখা মাংস দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, কোয়ারেন্টাইনে থাকা বাঘগুলোর সামনে কিছু মাংস রাখা আছে, যা পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। বাঘগুলোও তা মুখে দিচ্ছে না।
ফ্যালকন ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী সোহেল আহমদ জানান, বুধবার সকালে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ঢাকায় বাঘগুলো আনা হয় এবং বৃহস্পতিবার ভোরে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে পৌঁছে দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, ‘ঢাকা থেকে বাঘ নিয়ে আসার সময় আমরা পার্ক কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলাম, মাংসের ব্যবস্থা রাখতে। সকাল সাতটার দিকে দেওয়া মাংসের বিষয়ে পার্কের বন্যপ্রাণী চিকিৎসক জুলকারনাইন সাহেব ভালো জানেন।’
এদিকে সাফারি পার্কের মাংস সরবরাহকারী ‘সামির ইন্টারন্যাশনাল’র প্রতিনিধি মানিক দাবি করেন, ১৩ আগস্ট বিকেল তিনটায় ৪২ কেজি গরুর মাংস ডা. হাতেম সাজ্জাদ মো. জুলকারনাইনের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছি। বৃহস্পতিবার সকালে আমরা কোনো গরু জবাই করিনি এবং বাসি বা পঁচা মাংসও সরবরাহ করিনি।
সাফারি পার্কের দায়িত্বে থাকা ডাক্তার হাতেম সাজ্জাদ মো. জুলকারনাইন বলেন, ‘নতুন সংযুক্ত বাঘগুলোকে ২১ দিন কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। এ সময় তাদের খাদ্যসহ সব দায়িত্ব ফ্যালকন ট্রেডার্সের। ২১ দিন পর সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব নেবে।’
বাসি মাংসের বিষয়ে জানতে চাইলে পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনজুর আলম বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। ডা. জুলকারনাইনের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।’