ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৫ ২১:০০ পিএম
শরিফা ইয়াসমিন।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী শরিফা ইয়াসমিন। মেডিকেলে লেখাড়ায় মন বসছিল না তার। লেখাপড়ায় সমানতালে এগোতেও পারছিল না সে। এতেই নিজের শরীরে ইনজেকশন পুশ করে আত্মহত্যা করে।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) বেলা ১২টার দিকে শরিফা ইয়াসমিন তার হোস্টেলের কক্ষে আত্মহত্যা করে। খুলনা শহরের তইবুর রহমানের মেয়ে শরিফা ইয়াসমিন। সাত ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট ছিল শরিফা। মৃত্যুর আগে তার মা’কে উদ্দেশ্যে করে একটি চিরকুট লিখে গেছেন।
শরিফার বড় বোন জামাই সাজ্জাদ হোসেন বলেন, মেডিকেলে ভর্তির পর পরই তার লেখাপড়ায় মন বসছিল না। এ নিয়ে তার বিভিন্ন সময় পরিবারের সঙ্গে মতবিরোধ চলছিল। সে একদিকে মেডিকেলে পড়তে চাচ্ছিল না। আর অন্যদিকে, সামনতালে লেখাপড়া এগোতে পারছিল না। এসব কারণেই সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। তিনি আরও বলেন, শরিফা অনেক মেধাবী ছিল। ছোট থেকেই সে লেখাপড়ায় মনোযোগী ছিল। তার মৃত্যুতে পুরো পরিবার হতভাগ হয়ে পড়েছেন।
তার সহপাঠীরা বলেন, শরিফা অনেক ভালো মেয়ে ছিল। সে কেন যে আত্মহত্যা করল। এটা শুনে তারা মর্মাহত হয়েছেন।
ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শিবিরুল ইসলাম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, মেডিকেলে পড়তে তার মন বসছিল না। সেখান থেকেই মনের ক্ষোভে সে আত্মহত্যা করে। তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।