× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

রাঙ্গাবালী লঞ্চঘাটে নেই পন্টুন, যাত্রীদের সীমাহীন দুর্ভোগ

এমএ ইউসুফ আলী, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)

প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২৫ ১৬:১৪ পিএম

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২৫ ১৯:৫৬ পিএম

ভাটার সময় যাত্রীদের কাদার মধ্যে দিয়ে হেঁটে লঞ্চে উঠতে ও নামতে হয়। প্রবা ফটো

ভাটার সময় যাত্রীদের কাদার মধ্যে দিয়ে হেঁটে লঞ্চে উঠতে ও নামতে হয়। প্রবা ফটো

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের গাইয়াপাড়া লঞ্চঘাটে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের। কাদা-পানি মাড়িয়ে লঞ্চে উঠতে হয় তাদের। বৃষ্টি হলে সেই দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, লঞ্চঘাটের কোনো বৈশিষ্ট্যই নেই গাইয়াপাড়া লঞ্চঘাটে। প্রতিদিন সকাল-বিকেল লঞ্চ ভেড়ে ঠিকই, কিন্তু যাত্রী সেবায় নেই পন্টুন, জেটি কিংবা ঘাটলা। লঞ্চ থেকে নেমে মূল সড়কে যাওয়ার জন্য নেই একটি সংযোগ সড়কও। ফলে প্রতিদিন এই ঘাট দিয়ে যাতায়াত করা শত শত যাত্রীকে পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন দুর্ভোগ।

ভাটার সময় যাত্রীদের কাদার মধ্যে দিয়ে হেঁটে লঞ্চে উঠতে ও নামতে হয়। আর জোয়ারের সময় হাঁটু পানির মধ্য দিয়ে পার হতে হয়। আবার লঞ্চ থেকে নামার পরও পাকা সড়কে পৌঁছাতে প্রায় ৪০০ মিটার কাদা-পানি মাড়িয়ে যেতে হয় যাত্রীদের। বৃষ্টি হলে দুর্ভোগ আরও বাড়ে।

স্থানীয়রা জানান, এই ঘাট দিয়ে পাশের উপজেলা কলাপাড়া ও গলাচিপায় প্রতিদিন চিকিৎসা, ব্যবসাসহ নানা প্রয়োজনে যাতায়াত করেন বহু মানুষ। গাইয়াপাড়া লঞ্চঘাটের ব্যবসায়ী মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘একসময় এই লঞ্চঘাটে একটি সংযোগ সড়ক ছিল, কিন্তু সেটিও বহুদিন আগে ভেঙে গেছে। ফলে শুধু যাত্রী নয়, লঞ্চ থেকে পণ্য ওঠানো-নামানোও হয়ে পড়েছে দুঃসাধ্য।’

রাঙ্গাবালীর গাইয়াপাড়া থেকে কলাপাড়া রুটে চলাচল করা এমএল প্রিন্স অব হামজা-৫ লঞ্চের চালক সালাম ও ক্যারানি ইব্রাহিম বলেন, ‘এই ঘাটে পন্টুন না থাকায় লঞ্চ ভেড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে। এতে যাত্রীদের যেমন কষ্ট হয়, আমরাও ঝুঁকির মধ্যে পড়ি। এখানে একটি পন্টুন খুবই প্রয়োজন।’

বড়বাইশদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জাফর মৃধা বলেন, বড়বাইশদিয়া ও মৌডুবি ইউনিয়নের মানুষের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘাট। এই ঘাট দিয়ে তারা অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের পাশাপাশি  কলাপাড়া কিংবা গলাচিপা হয়ে জেলা শহর, বিভাগীয় শহর ও রাজধানীতে যাতায়াত করেন। অবিলম্বে এই ঘাটে পন্টুন স্থাপন এবং সংযোগ সড়ক নির্মাণ জরুরি।

এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ঘাটটিতে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ শুরু করা হবে। বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ঘাটলাও নির্মাণ করা যায়। তবে সেটি সময়ের ব্যাপার।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজীব দাশ পুরকায়স্থ বলেন, জনদুর্ভোগ লাঘব করতে ইতোমধ্যে সড়ক নির্মাণের প্রস্তাব পাঠিয়েছে এলজিইডি। এছাড়া পন্টুন স্থাপনের বিষয়ে আমরা বিআইডব্লিউটিএকে (বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ) অবহিত করব। পন্টুনের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব না হলে এডিপি প্রকল্পের মাধ্যমে আপাতত ঘাটলা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা