× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

দেশের প্রথম রেলস্টেশনে স্ক্যানার বসল কক্সবাজারে

কক্সবাজার অফিস

প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২৫ ১৭:২০ পিএম

আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২৫ ১৭:২৩ পিএম

প্রবা ফটো

প্রবা ফটো

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রেলস্টেশনে বসানো হয়েছে স্ক্যানার। সোমবার (৪ আগস্ট) সকালে কক্সবাজার আইকনিক স্টেশনে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অ্যাস্ট্রোফিজিক্স’ ব্র্যান্ডের স্ক্যানার মেশিনটি বাসানো হয়।

সরেজমিন দেখা যায়, কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশনে প্রবেশ করছেন যাত্রীরা। তাদের হাত ভর্তি ব্যাগ। কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী কক্সবাজার এক্সপ্রেসে ওঠার আগে স্ক্যানার মেশিনে ব্যাগ রাখতে হচ্ছে যাত্রীদের, যা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এবং নিরাপত্তাবাহিনী যৌথভাবে এই স্ক্যানিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। স্ক্যানিং করার সময় কোন ধরনের বস্তু শনাক্ত হলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যাগ খুলে তা দেখছেন দায়িত্বরতরা। এতে সহযোগিতা করছেন যাত্রীরা।

রেলস্টেশনে লাগেজ স্ক্যানিং চালু হওয়ায় ট্রেনভিত্তিক অপরাধ রোধ, মাদক ও অবৈধ পণ্যের প্রবাহ ঠেকাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন আইকনিক রেলস্টেশনের টিকিট কালেক্টর শান্ত বড়ুয়া।

তিনি বলেন, কক্সবাজার থেকে মাদক ও চোরাচালান বেড়েছে, যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তাই যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার জন্য রেলওয়ের পক্ষ থেকে কক্সবাজার রেলস্টেশনে লাগেজ স্ক্যানিং মেশিন বসানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যাতে দুর্ভোগের শিকার না হয়। এক্ষেত্রে ট্রেন ছাড়া অন্তত আধা-ঘন্টা আগেই স্টেশনে প্রবেশ করতে হবে যাত্রীদের। 

শান্ত বড়ুয়া বলেন, স্ক্যানিং মেশিনটা আমেরিকা থেকে আনা হয়েছে। এই মেশিনে ওষুধ জাতীয় দ্রব্য থেকে শুরু করে যেকোন আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক ও চোরাইপণ্য শনাক্ত করা যাবে। মেশিনে নির্দিষ্ট কিছু ওপর শনাক্ত চিহ্ন রয়েছে, শনাক্ত হওয়া ব্যাগই শুধু তল্লাশি করা হচ্ছে। তবে যাত্রীদের বিড়ম্বনা সৃষ্টি না সেদিকটাও খেয়াল রাখা হচ্ছে।

এদিকে নতুন প্রযুক্তিতে সন্তুষ্ট যাত্রীরাও। তারা বলছেন, এতে করে রেলভ্রমণ হবে আরও নিরাপদ। তবে যেন হয়রানির শিকার না হয় সাধারণ যাত্রীরা।

ঢাকাগামী যাত্রী রোজিনা আক্তার বলেন, “নতুন এই উদ্যোগ আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, এটা ভালো দিক। তবে যেন অহেতুক হয়রানি না হয়, সেটাও দেখতে হবে।”

একই কথা বলেন অপর যাত্রী আব্দুর রহমান। তিনি বলেন, “আমরা যারা পরিবার নিয়ে ট্রেন ভ্রমণ করি, তাদের জন্য এটি স্বস্তির খবর। তবে দ্রুত স্ক্যানিং করতে পারলে ভালো হয়, যেন লাইন না পড়ে যায়।”

কক্সবাজার রেললাইনে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে ২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর। বর্তমানে কক্সবাজার-ঢাকা রুটে কক্সবাজার ও পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন এবং কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রুটে সৈকত ও প্রবাল এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা