চুয়াডাঙ্গা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ আগস্ট ২০২৫ ২১:৪৪ পিএম
চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় জুলাই বিপ্লবে শহীদ মাসুদ রানার পরিবারের হাতে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা তুলে দিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার আমির ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী রুহুল আমিন।
শহীদের স্ত্রী ও শিশুকন্যা আরবীর হাতে তিনি টাকা তুলে দিয়ে পরিবারের খোঁজখবর নেন। ভবিষ্যতে যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থেকে সহযোগিতার আশ্বাসও দেন। জুলাই বিপ্লবে অংশগ্রহণকারী এই বীরের আত্মত্যাগ গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ও দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আজিজুর রহমান, জেলা সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান, জেলা সহকারী সেক্রেটারি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের, জেলা অর্থ সম্পাদক কামাল উদ্দীন, দর্শনা থানা জামায়াতের আমির মাওলানা রেজাউল করিম, সহকারী সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম, দামুড়হুদা থানা জামায়াতের আমির নায়েব আলী, দর্শনা পৌর জামায়াতের আমির সাহিকুল আলম অপু, নায়েবে আমির গোলজার হোসেন, পৌর সেক্রেটারি শাহরিয়ার আলম দবির, ইসলামী ছাত্র শিবিরের জেলা সভাপতি সাগর হোসাইন, সাবেক সভাপতি হাফেজ এমদাদুল্লাহ জামেন প্রমুখ।
এ সময় শহীদ মাসুদ রানার শ্বশুর দর্শনা আজমপুরের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী বাবুল মিয়া নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
শহীদ রানার মাগফিরাত কামনা এবং তার একমাত্র কন্যা ও বিধবা স্ত্রীর মঙ্গল চেয়ে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আজিজুর রহমান।
উল্লেখ্য, ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার আগের দিন ৪ আগস্ট সরকার পতনের একদফা আন্দোলনে রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বরের কাছে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন মাসুদ রানা মুকুল (৩৫)। মাসুদ রানা মুকুল চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার কয়রাডাঙ্গা গ্রামের স্কুল পাড়ার আব্দুর রায়হান ও জাহানারা খাতুনের ছোট ছেলে। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ রানা মুকুল ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের লিফট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরি সূত্রে মিরপুর-১ নম্বর এলাকায় সনি সিনেমা হলের পেছনের দিকে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের নিরলসভাবে সহযোগিতা করেছেন তিনি।