× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মধ্যনগর

বালু উত্তোলনে বসতভিটা হারানোর ঝুঁকিতে মানুষ

মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৫ ২১:০০ পিএম

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২৫ ২১:৩৯ পিএম

বালু উত্তোলনে বসতভিটা হারানোর ঝুঁকিতে মানুষ

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার মনাই নদী থেকে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নদীর তীরবর্তী রামদীঘা গ্রামের কয়েকটি পরিবার বসতভিটা হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন।

স্থানীয়ররা অভিযোগ করেছেন, একাধিকবার নিষেধ করার পরও বালু উত্তোলন বন্ধ হয়নি। এতে নদী ভাঙনের ভয়াবহতা দিন দিন বাড়ছে।

গত বুধবার দুপুরে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা মনাই নদীতে চলমান অবৈধ বালু উত্তোলনের সময় শাহিন মিয়া নামের এক যুবক আটক করা হয়। এ ছাড়া নৌকা ও ড্রেজার মেশিন জব্দ করা হয়। জব্দ কার নৌকা ও ড্রেজার এবং ওই যুবককে পুলিশের হাতে তুলে দেন স্থানীয়রা। এ সময় তার সঙ্গে থাকা অন্যরা পালিয়ে যায়। 

আটক শাহিন সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভপুর উপজেলার আলীপুর গ্রামের বাসিন্দা। গতকাল দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় মামলার বাদী স্থানীয় বাসিন্দা তারেক মিয়া জানান, উপজেলার প্রভাবশালী আব্দুল কাইয়ুম মজনু ও মুসাব্বির তালুকদার সাগরের নেতৃত্বে একটি চক্র ১৫ দিন ধরে মনাই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিলেন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় এক অভিযানে একজনকে হাতেনাতে আটক করে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এরপর তিনি বাদী হয়ে মধ্যনগর থানায় একটি মামলা করেছেন।

এদিকে স্থানীয়ভাবে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, জিজ্ঞাসাবাদের সময় আটক শাহিন জানায়, আব্দুল কাইয়ুয়ের নির্দেশেই তারা বালু উত্তোলন করে আসছিলেন এবং এর বিনিময়ে মজনুকে নিয়মিত মাসোহারা দেওয়া হতো।

স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে নদী ভাঙনে বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পরিবেশের ওপর পড়বে মারাত্মক প্রভাব।

মধ্যনগর থানার তদন্ত কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাত আরও দুজনকে আসামি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় প্রভাবশালীদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে জানতে চাইলে, ওই কর্মকর্তা বলেন, এজাহারে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম রয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযুক্ত আব্দুল কাইয়ুম মজনুর বিরুদ্ধে মামলার ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি, জলমহাল দখল ও লুঠপাট, ভারতীয় গরু চোরাকারবারসহ বিভিন্ন অপকর্মে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তার এসব অপকর্মের বিষয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে একাধিকবার সংবাদ বের হলে একটি জাতীয় পত্রিকার স্থানীয় সাংবাদিক মজনু ও তার সহযোগীদের মারধরের শিকার হন।

অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল কাইয়ুম মজনু বলেন, ‘আমি অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত নই। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বালু উত্তোলন মামলায় আমাকে জড়ানো হয়েছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা