× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

হিমছড়িতে জায়গা নিয়ে রামু প্রশাসন ও বন বিভাগের বিরোধ

কক্সবাজার প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৫ ২১:০৯ পিএম

হিমছড়িতে জায়গা নিয়ে রামু প্রশাসন ও বন বিভাগের বিরোধ

কক্সবাজারের রামু উপজেলার মেরিন ড্রাইভের হিমছড়ি ঝরনার আশপাশের জায়গা নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে। বিরোধের জেরে বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) পক্ষে-বিপক্ষে স্থাপনা উচ্ছেদ বা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে।

এ নিয়ে বৃহস্পতিবার বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে রামু উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমির সঙ্গে প্রকাশ্যে তর্ক হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার হওয়ার পর বিরোধ নিরসন করার কথা জানিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।

কক্সবাজার টেকনাফ মেরিন ড্রাইভে হিমছড়ি ঝরনাকে কেন্দ্র করে বন বিভাগের অধিনে হিমছড়ি জাতীয় ‍উদ্যান, বন বিভাগের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিসর্গ এবং রামু প্রশাসনের অধীনে হিমছড়ি বাজার, পার্কিং, পাবলিক টয়লেট ঘিরে আশপাশের জায়গা নিয়ে এমন বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে; বৃহস্পতিবার যা প্রকাশ্যে এসেছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম সোহেল বলেন, হিমছড়ি ঝরনাটি বন বিভাগের পক্ষে ইজারা দেওয়া হয়। আর এই ঝরনার সামনের বাজার, পার্কিং ইজারা দেয় রামু প্রশাসন। হিমছড়ি বাজারের পূর্বে ৪ বছর আগে এনজিওর অর্থায়নে একটি পাবলিক টয়লেট রয়েছে; যা প্রতিবছর ইজারা দেয় উপজেলা প্রশাসন। সম্প্রতি পর্যটন স্পট ঝরনার কিছু সংস্কার কাজ শুরু করে বন বিভাগ। এ সংস্কারের অংশ হিসেবে নতুন গেট নির্মাণের জন্য পাবলিক টয়লেটের কিছু অংশ বৃহস্পতিবার সকালে ভেঙে দেয় বন বিভাগ। বিষয়টি জানার পর রামুর সহকারী কমিশনার ভূমি ঘটনাস্থলে এসে টয়লেট ভেঙে দেওয়ার কারণ জানতে চায় বন বিভাগের কর্মকর্তার কাছে। বন বিভাগ গেট নির্মাণের প্রয়োজনীয় এবং টয়লেটটি বন বিভাগের জমিতে রয়েছে বলে দাবি করেন। এরপর সহকারী কমিশনার ভূমি হিমছড়ি ঝরনার উত্তর পাশে বন বিভাগের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিসর্গর পাশে অবস্থিত কিছু স্থাপনা ১ নম্বর খাস খতিয়ানের দাবি করে যেগুলো ভাঙচুর করা হয়। বিষয়টি জানাজানির পর বন বিভাগীয় কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গেলে বাগ্‌বিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। সামাজিক মাধ্যমে পাওয়া ভিডিওটি সহকারী কমিশনার ভূমি প্রকাশ্যে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের প্রকাশ্যে হুমকি স্বরে কথা বলতে দেখা গেছে।

বন বিভাগের হিমছড়ির রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা হাবিবুল হক বলেন, নিসর্গ পুরোটাই বন বিভাগের ২ নম্বর খতিয়ানের অধীনে। যেখানে থাকা বন পাহারার গোল ঘর, ঘেরা-বেড়া, হিমছড়ি জাতীয় উদ্যানের সাইনবোর্ডটি ভেঙে দিয়েছেন সহকারী কমিশনার ভূমি। অথচ দীর্ঘদিন ধরে বন বিভাগের জমিতে পাবলিক টয়লেটটি পরিচালিত হলেও কোনো হস্তক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ঝরনার প্রবেশ গেট নির্মাণের কারণে তার কিছু অংশ ভাঙতে হয়েছে।

বন বিভাগের দক্ষিণ বন বিভাগীয় কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম বলেন, শত ভাগ বন বিভাগের জমিতে সহকারী কমিশনার ভূমি ভাঙচুর করেছে। এতে বন বিভাগের ক্ষতি হয়েছে। ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর প্রকাশ্যে অপদস্থ করা হয়েছে। বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক উদ্যোগ নিয়েছেন। আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন মহল নির্দেশ দিয়েছে।

এ ব্যাপারে রামুর সহকারী কমিশনার ভূমি সাজ্জাদ জাহিদ রাতুলের মোবাইল ফোনে একাধিক ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে রামু উপজেলা ইউএনও রাশেদুল ইসলাম বলেন, এখানে বন বিভাগে এবং প্রশাসন দুপক্ষের জায়গা আছে। আমরা দুপক্ষে সরকারের স্বার্থে কাজ করছি। বিষয়টি নিয়ে সহকারী কমিশনার ভূমির সঙ্গে বন বিভাগের ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছিল। আমি জানার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে এর নিরসন করেছি। তিনি আরও বলেন, এখানে বিরোধের কিছু নেই। দুপক্ষ তো সরকারের জন্য কাজ করছে। সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও আসা একটু বিব্রতকর।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা