কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৫ ১৯:৩৩ পিএম
আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২৫ ১৯:৪৯ পিএম
‘মাহেরীন চৌধুরী এতগুলো বাচ্চাকে বাঁচিয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করে প্রমাণ করেছেন তিনি একজন মা, তিনি একজন শিক্ষক। বাচ্চাগুলোর সঙ্গে তার রক্তের সম্পর্ক ছিল না, তাদের সঙ্গে আত্মার সম্পর্ক ছিল।
তিনি সেখানে সবগুলো বাচ্চাকে নিজের বাচ্চা মনে করে বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছে। শিক্ষকতা যে একটি মহান পেশা, সেটার যে মহানুভবতাÑ সেটা তিনি দেখিয়েছেন। তিনি সব শিক্ষক জাতির জন্য আদর্শ উদাহরণ হয়ে থাকবেন। মাহেরীন চৌধুরী জাতীয় বীর, যিনি নারী সমগ্র সমাজের জন্য গর্বিত হয়ে থাকবেন।’
শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকালে নীলফামারীর জলঢাকা বগুলাগাড়ী চৌধুরী পাড়া এলাকায় মাহেরীন চৌধুরীর কবর জিয়ারত শেষে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আফরোজা আব্বাস।
আফরোজা আব্বাস আরও বলেন, আমরা তার আত্মার মাগফিরাত কামনার জন্য কবর জিয়ারত করতে এসেছি। তার পরিবারকে সমবেদনা জানাতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে আমরা মহিলা দল এসেছি। শোকাহত পরিবারকে সমবেতনা জানানোর ভাষা নেই। যারা স্বজন হারিয়েছেন তারাই বুঝেন, আমরা শুধু দেখছি আর বাকরুদ্ধ হচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, মাহেরীন চৌধুরীকে মালয়েশিয়া থেকে যেভাবে সম্মান জানানো হয়েছে, তা আমাদের দেশেই আগে হওয়া উচিত ছিল। প্রধান উপদেষ্টার উচিত ছিল তাকে প্রথম রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মানিত করা। পাইলটের আগেই তার জাতীয় বীরের মর্যাদা পাওয়া উচিত ছিল। তাকে সম্মান দিতে অনেক দেরি হয়েছে, তবে তার প্রাপ্য মর্যাদা অবশ্যই দিতে হবে। এখন সরকার তাকে কী দিয়েছে তা বড় বিষয় নয়Ñ তিনি আমাদের নারী সমাজের গর্ব এবং চিরকাল আমাদের হৃদয়ে থাকবেন।
এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আফরোজা আব্বাস, যুগ্ম সম্পাদক সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলার জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি তাসনিম ফৌজিয়া ওপেল, সাধারণ সম্পাদক রুপা, রংপুর জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট জিনাত ফেরদৌস রোজিসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।