× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

আমতলী-তালতলী সড়ক

খানাখন্দে বেহাল সড়কে ভোগান্তি

আমতলী (বরগুনা) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৫ ১৮:৩০ পিএম

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২৫ ১৮:৩৪ পিএম

খানাখন্দে বেহাল সড়কে ভোগান্তি

বরগুনা জেলার উপকূলীয় উপজেলা আমতলী ও তালতলীকে সংযুক্তকারী একমাত্র আঞ্চলিক সড়কটির বেহাল অবস্থা এখন চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কে হাজার হাজার খানাখন্দ ও ঢোবার সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সড়কের ২৪ কিলোমিটার অংশে বড় বড় গর্ত ও ভাঙাচোরা অবস্থার কারণে প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা, ব্যাহত হচ্ছে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন।

এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন দুই উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ। এই সড়ক দিয়ে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র সোনাকাটা ইকোপার্ক ও ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে যাতায়াত করা হয়, যা বর্তমানে প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে সরকার রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি এলাকাবাসীও ন্যূনতম চলাচল সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই সড়কটি মেরামতের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। 

গতকাল শুক্রবার সরেজমিন দেখা গেছে, আমতলী-তালতলী আঞ্চলিক সড়কের মানিকঝুড়ি থেকে কচুপাত্রা সেতু পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার, কড়াইবাড়িয়া বাজার থেকে হরিণবাড়িয়া সেতু পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার এবং তালতলী সেতু থেকে ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার সড়ক খানাখন্দে পরিপূর্ণ। প্রতি ২০-৩০ গজ পরপরই দেখা যাচ্ছে বড় বড় গর্ত। ইট-পাথরের সুরকি উঠে গিয়ে মাটির সঙ্গে একাকার হয়ে গেছে সড়ক। এসব গর্তে পড়ে যানবাহনের চাকা আটকে যাচ্ছে, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির এ অবস্থা। প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা চলাচল করছেন। পর্যটকদের গন্তব্য সোনাকাটা ইকোপার্কে যাতায়াত বন্ধ থাকায় রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

তালতলী উপজেলার ব্যবসায়ী মো. শামিম পাটোয়ারী বলেন, সড়ক যেন হাজারো খানাখন্দের সমাহার। চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

তারিকাটা এলাকার শহীদুল ইসলাম ও বাহাদার বলেন, গত এক বছর ধরে সড়ক খানাখন্দে ভরে গেছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের লোকজন দেখেও সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না।

মোটরসাইকেল চালক নজরুল ইসলাম, রুবেল মিয়া ও শাহ আলম তালুকদার বলেন, গাড়ি চালানো এখন জীবনের সঙ্গে ঝুঁকি নেওয়ার মতো ব্যাপার। দ্রুত সড়ক সংস্কারের দাবি জানান তারা।

আড়পাঙ্গাশিয়া বাজারের ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবির বলেন, সড়ক নির্মাণের দুই বছরের মাথায় খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। সড়ক দিয়ে গাড়ি ও মানুষ চলাচলে খুবই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

এ সড়কে চলাচলকারী বাসচালক মজিবুর রহমান ও আবদুস সালাম বলেন, সড়কটি বেহাল, এজন্য যানবাহন চলাচল করতে সমস্যা হয়।

এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, কড়াইবাড়িয়া বাজার থেকে হরিণবাড়িয়া পর্যন্ত সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ। আগামী অর্থবছরের প্রথম ধাপে এই অংশটি সংস্কার করা হবে। তালতলী থেকে ফকিরহাট পর্যন্ত অংশটি দ্বিতীয় ধাপে সংস্কার করা হবে।

আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস আলী বলেন, মানিকঝুড়ি থেকে কচুপাত্রা পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার সড়ক খানাখন্দে ভরে গেছে। এটিও আসন্ন বাজেটে সংস্কার প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।

বরগুনা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান বলেন, সড়কটির দুরবস্থার বিষয়টি আমরা জানি। ২৪ কিলোমিটার অংশ একসঙ্গে সংস্কার করা সম্ভব না হলেও পর্যায়ক্রমে আগামী অর্থবছরে সংস্কার কাজ শুরু হবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা