কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০২৫ ২১:১৭ পিএম
আপডেট : ২০ জুলাই ২০২৫ ২১:২১ পিএম
নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, পায়রা বন্দরের মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়িত হলে পায়রা বন্দর হবে দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। তাই আমাদের উচিত বাস্তবভিত্তিক ও টেকসই পরিকল্পনার মাধ্যমে বন্দর ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও কার্যকর করে তোলা।
রবিবার (২০ জুলাই) বিকালে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌর শহরের একটি অভিজাত হোটেলের হল রুমে ‘মাস্টারপ্ল্যান অব পায়রা পোর্ট’ সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
নৌপরিবহন উপদেষ্টা বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান, সরলরৈখিক ও প্রশস্ত চ্যানেল, বহুমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং দেশের মধ্য-দক্ষিণাঞ্চলে একটি সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক করিডোর গড়ে তোলার লক্ষ্যে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় দেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর হিসেবে পায়রা বন্দর প্রতিষ্ঠা করা হয়। এই বন্দর ব্যবহারে আধুনিক ইকুইপমেন্টসমৃদ্ধ ৬৫০ মিটার দীর্ঘ জেটি সুবিধা থাকছে। ৩ লাখ ২৫ হাজার বর্গমিটার ব্যাকআপ ইয়ার্ড সুবিধা, ১০ হাজার বর্গমিটার আধুনিক সিএফএস, সুপ্রশস্ত ও সরলরৈখিক চ্যানেলে নিরাপদ নেভিগেশন সুবিধা থাকছে। ৪০-৫০ হাজার মেট্রিক টন কার্গো বোঝাই ২২৫ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৩২ মিটার প্রস্থবিশিষ্ট প্যানামেক্স আকৃতির জাহাজ চলাচলের সুবিধা থাকছে।
তিনি আরও বলেন, পায়রা বন্দরকে এ অঞ্চলের জন্য সাসটেইনেবল করতে হবে। আমি মনে করি একটি পোর্টের নিজস্ব ড্রেজার থাকা দরকার। বাংলাদেশে এমন কোনো পোর্ট নাই যেখানে ড্রেজিং না হয়। আশা করছি আগামী দুই-এক মাসের মধ্যে পায়রা বন্দরের ড্রেজার এবং ড্রেজিংয়ের স্যাংশন করাতে পারব। একটা বন্দরের জন্য ১০ বছর কিছুই না। ২০ বা ২৫ বছর হলে বলা যাবে যে এটার কাজ শুরু হয়েছে।
পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাসুদ ইকবাল। সেমিনারে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর, সামরিক ও বেসামরিক সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, ব্যবসায়ী নেতারা, বন্দর ব্যবহারকারী-অংশীজন, মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসের রয়্যাল হাসকোনিং ডিএইচভির প্রতিনিধিগণ এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।