চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০২৫ ২২:২৫ পিএম
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নগরীর টাইগারপাসস্থ চসিকের অস্থায়ী কার্যালয়ে দুদকের অভিযান। প্রবা ফটো
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর আমলে চার শ্রমিককে পদোন্নতি দিয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী করা হয়েছিল। অবৈধ এই পদোন্নতির সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার (৭ জুলাই) বিকেলে নগরীর টাইগারপাসস্থ চসিকের অস্থায়ী কার্যালয়ে দুদকের চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক এমরান হোসেনের নেতৃত্বে অভিযানে এই তথ্য উঠে এসেছে।
দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ওই চার শ্রমিক হলেন- মো. রোকনুজ্জামান, রশিদ আহমদ, জাহেদুল আহসান ও এস এম রাফিউল হক মনিরী। এদের মধ্যে রোকনুজ্জামান ২০২৩ সালের ১৩ জুন চসিকের অস্থায়ী শ্রমিক পদে নিয়োগ পান। ১৮ জুন তিনি যোগদান করেন। আবার ওইদিনই তাকে এক অফিস আদেশে অস্থায়ী হিসেবে উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়।
একইভাবে শ্রমিক পদে নিয়োগ পাওয়া রশিদ আহমদ ২০২৩ সালের ৭ সেপ্টেম্বর কাজে যোগ দেন। ২৬ সেপ্টেম্বর তাকে একই প্রক্রিয়ায় উপ-সহকারী প্রকৌশলী করা হয়। অস্থায়ী শ্রমিক জাহিদুল আহসান ও এস এম রাফিউল হক মনিরীকেও একইভাবে শ্রমিক পদ থেকে উপ-সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে পদায়ন করা হয়।
অভিযানে দুদকের কর্মকর্তারা চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিবের কাছ থেকে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত নেন। পদোন্নতি সংক্রান্ত নথি সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করা হয়। সংশ্লিষ্টদের কাছে চসিকে অস্থায়ী ভিত্তিতে কর্মরত শ্রমিক পদ থেকে সরাসরি উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব পাওয়া কর্মচারীদের তালিকা চাওয়া হয়েছে।
অভিযান প্রসঙ্গে দুদক চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক সুবেল আহমেদ প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, যথাযথভাবে চাকরিবিধি অনুসরণ না করেই অস্থায়ী শ্রমিকের পদ থেকে দশম গ্রেডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে পদায়ন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে স্বেচ্ছাচারিতা ও মারাত্মক অনিয়মের আশ্রয় নেওয়া হয়েছিল। বেশ কিছু নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব নথিপত্র পর্যালোচনা ও আরো অনুসন্ধান শেষে কমিশনের কাছে বিস্তারিত প্রতিবেদন পাঠানো হবে।