× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

হবিগঞ্জের খোয়াই নদী

ভাঙনে লাখো মানুষের কষ্ট

আশরাফুল ইসলাম কহিনুর, হবিগঞ্জ

প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০২৫ ১৭:২০ পিএম

ভাঙনে লাখো মানুষের কষ্ট

খোয়াই নদী। বছরের বেশিরভাগ সময় থাকে শান্ত। বর্ষা এলেই হয়ে ওঠে ভয়ংকর। উজানে ভারী বৃষ্টি হলেই এই নদীর ঢল নেমে আসে রুদ্ররূপে। আর তখন নির্ঘুম রাত কাটে হবিগঞ্জের পাঁচ উপজেলার লাখো মানুষের। সম্প্রতি খোয়াই নদীর পানি বিপদসীমা ছাড়িয়ে যায় ২৭৭ সেন্টিমিটার পর্যন্ত, যা গত কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। পানি আরও আধা মিটার বাড়লেই তলিয়ে যেত হবিগঞ্জ শহর।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, হবিগঞ্জ শহরের চেয়ে খোয়াই নদীর তলদেশ অন্তত ১৫ ফুট উঁচুতে। অথচ নদীর দুই পাড়ে নেই কোনো শক্তিশালী বাঁধ। দুর্বল প্রতিরক্ষা বাঁধই হয়ে উঠেছে স্থানীয়দের দুশ্চিন্তার কারণ। তার ওপর প্রতিনিয়ত বালুবাহী ট্রাক্টরের চলাচলে বাঁধের বিভিন্ন অংশ হয়ে পড়েছে ঝুঁকিপূর্ণ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাঁধ সংস্কারে চলে অনিয়ম ও গাফিলতি। ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে বাঁধ সংস্কারে বালুর বস্তাও ঠিকমতো ফেলা হয় না। কাজ সম্পূর্ণ না করে অর্ধেক কাজ করেই চলে যান কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। 

বাপা ও খোয়াই রিভার ওয়াটার কিপারের জেলা সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, খোয়াই নদী থেকে চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। বালু উত্তোলনকারীরা তলদেশের পরিবর্তে বাঁধের দুপাশে গোড়া থেকে বালুমাটি তোলায় বিভিন্ন স্থানে গতিপথ সরু হয়ে নদীর তলদেশ উঁচু হয়ে গেছে। ড্রেজিং না করায় নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে কমেছে পানির ধারণক্ষমতা। তাই দ্রুততার সঙ্গে খনন করা দরকার। 

হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শামীম হাসনাইন মাহমুদ বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে কিছুদিন বন্ধ থাকলেও পরে আবারও তারা বালু তুলতে শুরু করে। এতে নদীর বাঁধ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ছে। তিনি আরও বলেন, খোয়াই নদীর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭৫ কিলোমিটার হলেও গতিপথ পরিবর্তনের ফলে দৈর্ঘ্য কিছুটা কমেছে। বাল্লা সীমান্ত থেকে হবিগঞ্জ জেলার বাজুকা-ফরিদপুর গ্রাম পর্যন্ত নদীর দুই পাড়ে ৯০ কিমি বাঁধ রয়েছে। তবে প্রায় ৩ কিমি এলাকায় এখনও কোনো বাঁধ নির্মাণ হয়নি। হবিগঞ্জ অংশের নদীর দৈর্ঘ্য ৯৩ কিমি এবং এটি জেলার ৫টি উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কিশোরগঞ্জে মেঘনায় মিলিত হয়েছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা