প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৫ জুন ২০২৫ ২১:০৮ পিএম
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর ও মৌলভীবাজারের জুড়ীতে পানিতে ডুবে শিশুসহ দুজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। পৃথক দুই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে সংশ্লিষ্ট পরিবার ও এলাকায়। প্রতিদিনের বাংলাদেশের প্রতিবেদকদের পাঠানো প্রতিবেদকেÑ
রামগতি-কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) : লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার পাটওয়ারিরহাট ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে নদীর তীর রক্ষা বাঁধের পাশের পানিভর্তি একটি কূপে পড়ে জুনায়েদ (৮) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার (১৫ জুন) সকালে ওই কূপ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত জুনায়েদ চর ফলকন ইউনিয়নের মাধু হাওলাদার বাড়ির হান্নান হাওলাদারের ছেলে এবং স্থানীয় একটি নূরানী মাদ্রাসার দ্বিতীয় জামাতের শিক্ষার্থী ছিল।
শিশুটির ভগ্নিপতি ইব্রাহিম বলেন, শনিবার বিকালে বাড়ির পাশে পাথরের স্তূপ থেকে খেলার পাথর সংগ্রহ করতে গিয়ে নিখোঁজ হয় জুনায়েদ। রাতে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরদিন রবিবার সকালে স্থানীয়রা কূপে ভেসে থাকা মরদেহ দেখতে পেয়ে পরিবাকে খবর দেয়। পরে তারা মরদেহ শনাক্ত করেন।
কমলনগর থানার ওসি তৌহিদুল ইসলাম বলেন, নিখোঁজের খবর শুনে পরিবারকে জিডি করতে বলা হয়েছিল। পরে শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
মৌলভীবাজার : মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়নের মধ্য বাছিরপুর গ্রামে পানিতে ডুবে মারা গেছেন আশালতা দাস (৭৫) নামের এক বৃদ্ধা। রবিবার দুপুরে বাড়ির পেছনের নিচু জমির জমা থাকা পানিতে থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সকালে ঘুম থেকে উঠে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি আশালতা দাস। দুপুরে তাকে খুঁজে না পেয়ে বাড়ির পেছনের জমিতে পানির মধ্যে মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা।
পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বলেন, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে নিচু জমিতে পুকুরের মতো পানি জমে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, অসাবধানতাবশত সেখানেই পড়ে গিয়ে বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে।
জুড়ী থানার ওসি মুরশেদুল আলম ভূঁইয়া বলেন, পরিবার ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ গ্রহণের আবেদন করলে তা মঞ্জুর করে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।