চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ৩১ মে ২০২৫ ১৭:৪৭ পিএম
আপডেট : ৩১ মে ২০২৫ ১৭:৫১ পিএম
প্রবা ফটো
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন চট্টগ্রাম কমার্স কলেজে সংঘর্ষে জড়িয়েছে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। এতে চারজন আহত হয়েছেন। শনিবার (৩১ মে) সকালে কলেজ ক্যাম্পাসের সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে আহত ছাত্রশিবিরের মহানগর দক্ষিণ কলেজ শাখার সম্পাদক মোজাহেরুল ইসলাম, কামরুজ্জামান জীবন ও আব্দুল হাদী রাহির নাম জানা গেছে। হাসপাতালে তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম কমার্স কলেজের সামনে একটি হেল্প ডেস্ক স্থাপন করে ছাত্রশিবির। সেখানে আগত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিশ্রাম নেওয়া ও তথ্য জানার ব্যবস্থা ছিল। পরীক্ষার্থীদের সহযোগিতায় কলেজের সামনে ছিল ছাত্রদলও। পরীক্ষা চলাকালীন হলের বাইরে দুই পক্ষের মধ্যে কোনও বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় রূপ নেয়।
চট্টগ্রাম কমার্স কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাদমান ফাহিম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের জন্য আমরা একটা হেল্প ডেস্ক করি। কাল রাতে এটা করার সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বাধা দেয়। রাতে আর আমরা ওটা করিনি। সকালে ৯টা থেকে আমরা সেখানে ডেকোরেশন দিয়ে ডেস্ক করি। অভিভাবকদের বসার ব্যবস্থা করি। একপর্যায়ে ছাত্রদলও সেখানে আসে।’
তিনি অভিযোগ করেন, ‘তারা আমাদের উদ্দেশ্যে নানা উসকানি দিতে থাকে। একপর্যায়ে আমাদের কয়েকজনের ওপর হামলা চালায়।’
শিক্ষার্থীদের মোবাইল ও ব্যাগ খোয়া যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘২৫০ এর মতো শিক্ষার্থী তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র জমা রাখে। পরীক্ষার শেষ হওয়ার সময় এসব ঝামেলায় কয়েকজনকে সেগুলো ফেরত দিতে পারিনি। পরে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করে সবার জিনিসপত্র ফেরত দেওয়া হয়েছে। এসব প্রমাণ আমরা সংরক্ষণ করেছি।’
অভিযোগের বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল আলম বলেন, ‘আগে-পরে দাঁড়ানো নিয়ে সামান্য কথা-কাটাকাটি হয়েছে। পরে দুই সংগঠনের কর্মীরাই একসঙ্গে কাজ করেছে। হামলার অভিযোগ সঠিক নয়।’
ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মো. বিধান আবিদ বলেন, ‘হালকা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ উপস্থিত থাকায় বড় সংঘর্ষে রূপ নেয়নি। পরিস্থিতি এখন শান্ত। কারও মোবাইল বা ব্যাগ হারানোর কোন অভিযোগ পাইনি।’