নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
প্রকাশ : ২৯ মে ২০২৫ ২০:০৭ পিএম
আপডেট : ২৯ মে ২০২৫ ২০:১৬ পিএম
বরিশালে এক অনন্য উদ্যোগের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি চাকরি মেলা, যেখানে সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের দক্ষতা বিকাশ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।
মেলায় অংশগ্রহণ করেছে ১০টি প্রতিষ্ঠান, যাদের সহায়তায় ৭৯ জন প্রশিক্ষিত নারী চাকরি লাভের সুযোগ পেয়েছেন। পাশাপাশি ৯ জন নারী উদ্যোক্তাকে স্বাবলম্বী করতে প্রদান করা হয়েছে ঋণ সুবিধা, যা তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে সহায়তা করবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) নগরীর অশ্বিনী কুমার হলে বিকল্প শিক্ষা ও দক্ষতা কার্যক্রমের প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য ইউনিসেফের সহযোগিতায় ইএসডিওর আয়োজনে চাকরি মেলার আয়োজন করা হয়। সকালে ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন করেন বরিশালের জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) লুসিকান্ত হাজং।
দিনব্যাপী ব্যতিক্রমী এ মেলার আয়োজন ছিল দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। চাকরিপ্রত্যাশী, প্রশিক্ষক ও উদ্যোক্তাদের মিলন মেলায় পরিণত হয় মেলা প্রাঙ্গণ। এ ছাড়াও অংশগ্রহণকারীদের আগ্রহ বাড়াতে নারীদের তৈরিকৃত পণ্যের স্টল বসানো হয়েছে। সেখানে ভিড় ছিল দর্শনার্থীদের। নানা রকম বাহারি পণ্য প্রদর্শন করা হয় স্টলে স্টলে।
জানা গেছে, বিভিন্ন মেয়াদে ৮ ক্যাটাগরিতে জেলার অসহায় নারীদের প্রশাক্ষণ দেয় ইএসডিও। সেখান থেকে ১৪০ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চাকরিপ্রত্যাশী নারী মেলায় নিবন্ধন করেন। এর মধ্যে ৭৯ জন নারীর চাকরি নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়।
আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও তারা এ ধরনের উদ্যোগ চালিয়ে যাবেন। এ অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন ইএসডিও এএলপি বরিশালের সকল উন্নয়ন কর্মী।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) লুসিকান্ত হাজং বলেন, ইএসডিও দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে প্রশিক্ষণ প্রদান, চাকরির সংযোগ প্রদানসহ কার্যকর ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ জব ফেয়ার চাকরিপ্রত্যাশী ও নিয়োগদাতাদের মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের পাশাপাশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে।
ইএসডিও-এএলপি প্রজেক্টের বরিশাল জেলার অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রাম ম্যানেজার, মো. মানিক মিয়ার সঞ্চালনায় চাকরি মেলায় বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (অ.দা) প্রিন্স বাহাউদ্দিন তালুকদার ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক একেএম আক্তারুজ্জজামান তালুকদার মামুনসহ ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের কর্মকর্তারা।