× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

গুলশানের ১৫ প্লটের ক্লিন সার্টিফিকেট দিল দুদক

বিশেষ প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৯ মে ২০২৫ ১৫:০৮ পিএম

গুলশানের ১৫ প্লটের ক্লিন সার্টিফিকেট  দিল দুদক

রাজউকের তালিকাভুক্ত ১৫টি আবাসিক প্লট বরাদ্দে কোনো অনিয়মের প্রমাণ পায়নি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে এসব প্লটের বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করেছে সংস্থাটি। সম্প্রতি দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট ১৫টি প্লট বরাদ্দের ক্ষেত্রে দুদক কর্তৃক অনুসন্ধান পরিচালিত হয়। তবে অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ না পাওয়ায় কমিশন অভিযোগ নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত নেয়। ৮ এপ্রিল রাজউক বরাবর পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘আলোচ্য প্লটগুলোর বিষয়ে রাজউক তার নিজস্ব বিধান অনুসরণ করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে।’

সূত্র জানায়, দুদকের অনুসন্ধানে যে প্লটগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল তার বেশিরভাগই রাজধানীর গুলশান ও উত্তরায় অবস্থিত। প্লটগুলোর মধ্যে রয়েছে গুলশান আবাসিক এলাকার সিডব্লিউএন (এ) ব্লকের ৪৯ নম্বর রোডের ২ নম্বর প্লটটি। বিভিন্ন যাচাই-বাছাই ও অনুসন্ধান সাপেক্ষে প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত প্লটটি সম্পূর্ণ নিষ্কণ্টক, নির্ভেজাল, ঝামেলাবিহীন। এ ছাড়া অন্যান্য প্লট নিয়েও কোনো ধরনের অনিয়ম খুঁজে পায়নি সংস্থাটি। এ নিয়ে ২০২৪ সালের ২৪ নভেম্বর জাতীয় দৈনিক যুগান্তরে ‘কারসাজিতে বেদখল হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি’ শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তবে পরবর্তী অনুসন্ধান ও নথিপত্র যাচাই শেষে দুদক নিশ্চিত করে, উক্ত প্লটটিতে কোনো অনিয়ম হয়নি এবং এটি নিয়ে জনমনে যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছিল, তা বাস্তবতাবিবর্জিত। সংশ্লিষ্ট প্লটটি এখন ‘ক্লিন’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

প্লটটির বর্তমান মালিক জানিয়েছেন, ২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বর গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে তার নামে সাফ কবলা দলিল সম্পাদিত হয় (দলিল নং-১১৬৫৮)। এরপর রাজউকের অনুমোদন সাপেক্ষে নামজারি, দখল বুঝে নেওয়াসহ অন্যান্য সকল দাপ্তরিক কার্যক্রম তিনি সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ বৈধভাবে উক্ত জমি ভোগ ও দখলে আছেন। কেউ হয়তো ভুল বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার প্লটের নাম ওই রিপোর্টে জড়িয়েছে। তবে সব কাগজপত্র দাখিল করে প্রমাণ করেছি যে, এটি একটি নিষ্কণ্টক, নির্ভেজাল, বৈধ প্লট।

তিনি আরও জানান, দুদকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সবকিছু যাচাই করেছে এবং কোথাও কোনো অসঙ্গতি মেলেনি। এজন্যই কমিশন তদন্ত বন্ধ করেছে।

রাজউক সূত্রও নিশ্চিত করেছে, প্লট বরাদ্দ, মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত সব কার্যক্রম নির্ধারিত বিধিমালার আওতায় সম্পন্ন হয়েছে। এ নিয়ে ভবিষ্যতে আর কোনো ধরনের আইনি জটিলতার আশঙ্কা নেই। 

পূর্বে ভুলবশত প্রকাশিত তথ্য সংশোধন করে এখন স্পষ্টভাবে বলা যাচ্ছে, গুলশানের সিডব্লিউএন (এ) ব্লকের ৪৯ নম্বর রোডের ২ নম্বর প্লটটি প্রকৃতপক্ষে বৈধ মালিকের দখলে রয়েছে এবং এতে কোনো ধরনের কারসাজি বা দুর্নীতির প্রমাণ মেলেনি।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা