ফরিদপুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৫ ২২:৫৪ পিএম
গাছ কাটার বিরোধের জেরে এক পুলিশ সদস্য বেধড়ক পিটিয়ে তিনটি দাঁত ফেলে দিয়েছে বড় ভাবি আসমা বেগমের। এ সময় তার বড় ভাই এগিয়ে গেলে তাকেও পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশ সদস্যের সোহেল শেখের বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার (১৮ মে) সকাল ১০ টায় ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলগি ইউনিয়নের পীরেরচর গ্রামে। আহতরা হলেন, লুৎফর রহমান ও তার স্ত্রী আসমা বেগম।
অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য হচ্ছেন- ওই গ্রামের আবুল হাশেম মিয়ার ছেলে সোহেল শেখ। তিনি ঢাকার একটি থানায় পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এ ঘটনায় ভাংগা থানায় অভিযোগ করেছেন লুৎফর রহমান।
স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কনস্টেবল সোহেল শেখ ছুটিতে বাড়ি এসে বড় ভাই লুৎফরের লাগানো একটি মেহগনি গাছ অনুমতি ছাড়াই কাটতে যান। তখন তার বড় ভাবি আসমা তাকে বাধা দেন, তখন ক্রোধান্বিত হয়ে সোহেল তার ভাবিকে বেধড়ক মারপিট করে তিনটি দাঁত ভেঙে ফেলেন।
এ সময় বড় ভাই লুৎফর এগিয়ে গেলে তাকেও মারপিট করে গুরুতর আহত করা হয়। বর্তমানে আহত দুজন ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন।
পুলিশ সদস্য সোহেলের বড় ভাই লুৎফর রহমান বলেন, ‘আমার দুই ভাই সোহেল কনস্টেবল ও রিপন এএসআই পদে রয়েছে। তাদের দাপটে আমি এলাকায় থাকতে পারিনা। মাঝেমধ্যেই তারা ছুটিতে এসে আমাদের মারধর করে। বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।
পুলিশ কনস্টেবল সোহেল শেখ সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে মোবাইল সংযোগ কেটে দেন। পরে তিনি আর ফোন ধরেননি।
ভাঙ্গা থানার ওসি আশরাফ হোসেন বলেন, ‘মারামারির বিষয়ে একটা অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’