গোপালগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৫ ২০:৩৭ পিএম
আপডেট : ১৬ মে ২০২৫ ২০:৫০ পিএম
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় মাছের ঘের কাটা নিয়ে বিবদমান দুগ্রুপের মধ্যে ঢাল-শড়কি সংঘর্ষে শিশুসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহতদের কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ মে) কোটালীপাড়া উপজেলার হিরণ ইউনিয়নের বর্ষাপাড়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্ষাপাড়া গ্রামের স্থানীয় ইউপি সদস্য ইব্রাহিম ফকিরের সঙ্গে একই গ্রামের মোকসেদ আলী ফকিরের দীর্ঘদিন ধরে জমিতে মাছের ঘের কাটা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে গতকাল মোকসেদ আলী ফকিরের লোকজন ইউপি সদস্য ইব্রাহিম ফকিরের লোকজনকে মারধর করে। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষ ঢাল-শড়কিসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে জালাল ফকির, মেহেদী ফকির, পলাশ ফকির, আলামিন ফকির, রবিউল ফকির, রিয়াজ ফকির,মিরাজ ফকির, সুফিয়ান ফকির, রফিকুল ফকির, গাউস ফকির, মনিরুজ্জামান ফকির, আব্বাস আলী ফকির, আকাশ ফকির, নাসির ফকির গুরুতর আহত হয়। আহতদের কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও গোপালগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ইউপি সদস্য ইব্রাহিম ফকির বলেন, বিলে আমার একটি মাছের ঘের কাটা নিয়ে এলাকার মোকসেদ আলী ফকিরের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। গতকাল আমার লোকজন মোকসেদ আলী ফকিরের বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় মোকসেদ আলী ফকিরের লোকজন আমার লোকজনকে মারধর করে। আমি লোকজন নিয়ে বাধা দিতে গেলে মোকছেদ আলী ফকিরের লোকজন আমাদের ওপরও হামলা চালায়। হামলায় প্রায় ২৫ জন লোক আহত হয়েছেন।
মোকসেদ আলী ফকিরের ছেলে আল আমিন ফকির বলেন, ইউপি সদস্য ইব্রাহিম ফকির কিছুদিন আগে লোকজন নিয়ে জোর করে আমাদের জমিসহ কয়েকজনের জমিতে মাছের ঘের কাটতে ছিল। আমরা বাধা দিলে ঘের কাটা বন্ধ হয়। গতকাল ইব্রাহিম ফকির লোকজন নিয়ে আমাদের সেই জমিতে ঘের কাটতে গেলে আমরা বাধা দিই। এ সময় উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ি।
কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে অভিযোগ পাইনি, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।