সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রতিবেক
প্রকাশ : ২৫ মার্চ ২০২৫ ১৫:১২ পিএম
তাঁতপল্লির একটি কারখানা। প্রবা ফটো
মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার ব্র্যান্ড তাঁতশিল্প। আর কয়দিন পরেই ঈদ। ঈদকে সামনে রেখে কর্মব্যস্ত সাটুরিয়া তাঁত পল্লীর কারিগররা। রং সুতাসহ তাঁতের সরাঞ্জমাদি বৃদ্ধি, কাপড়ের মূল্য কম, শ্রমিক ও বিদ্যুতের সংকটসহ নানা সমস্যায় ধ্বংসের দ্বারপান্তে সাটুরিয়ার তাঁতপল্লি।
এ পেশায় টিকতে না পেরে ইতোমধ্যে অনেকেই তাঁত কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে। তাঁতের কাঁচামালের দাম কমানো দাবি জানিয়েছেন তাঁত কারখানা শ্রমিক ও মালিকরা।
হস্তচালিত তাঁত যুগে তাঁতীরা টিকে থাকতে পারলেও বৈদ্যতিক তাঁত যুগে এসে লোকসান গুনতে হচ্ছে তাঁতীদের।
উপজেলার সাভার, আগ সাভার, হামজা, জালশুকা, নাশুরপুর, চাচিতারা গ্রামে একসময় গড়ে উঠেছিল শতশত তাঁত কারখানা। কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি ও কাপড় বিক্রি না হওয়ায় অনেকে এ পেশা ছেড়েছেন। বাপ-দাদার এ পেশাকে এতিহ্য হিসেবে ধারণ করে যারা টিকে আছে তারাও লোকসান গুনছেন নিয়মিত। রং ও সুতার দাম লাগামহীন বৃদ্ধির কারণে হুমকির মুখে তাঁত শ্রমিক ও মালিকরা।
তাঁত শ্রমিক ফরিদ হোসেন বলেন, ঈদকে সামনে রেখে কাজ করছি। আশনুরুপ দাম পাচ্ছি না। মহাজনদের কাপড় বিক্রি কমে গেছে।
আরেক তাঁত শ্রমিক পান্নু মিয়া বলেন, আমরা ঈদ ও বৈশাখীকে কেন্দ্র করে কাজ করে যাচ্ছি।
তাঁত কারখানার মালিক মো. রতন মল্লিক বলেন, অবৈধভাবে ভারতীয় শাড়ির আমদানি, রং ও সুতার দাম বৃদ্ধির ফলে এ পেশা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছে। এ পেশাকে বাঁচাতে হলে কাঁচামালের দাম কমানোসহ সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য মো. দেলওয়ার হোসাইন বলেন, তাঁতীদের সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে।