মাগুরা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০২৫ ১৬:১৮ পিএম
মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ সমাবেশ শেষ করে শিক্ষার্থীরা। প্রবা ফটো
মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ সমাবেশ শেষ করে শিক্ষার্থীরা। এর আগে আদালতের মূল ফটকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।
সোমবার (২৪ মার্চ) দুপুরে ছাত্র সমাজের ব্যানারে আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যার বিচারের দাবিতে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীরা।
মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ প্রাঙ্গণে সমবেত হয় শিক্ষার্থীরা। এরপর বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কলেজ রোড প্রদক্ষিণ করে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মূল ফটকের সামনে সমবেত হয়। সেখানে বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত করে তোলে বিক্ষোভকারীরা। এরপর আদালতের ভেতরে প্রবেশ করে বিচারকদের সাথে কথা বলার উদ্যোগ গ্রহণ করে শিক্ষার্থীরা।
আইনজীবী সুলতানা বলেন, হাইকোর্টের বেঁধে দেওয়া ছয় মাসের মধ্যে আছিয়ার ধর্ষণ মামলার বিচার কাজ সম্পন্ন হবে। এই মামলা আরো দ্রুত ত্বরান্বিত করতে হলে ময়নাতদন্তে রিপোর্ট এবং ডিএনএ রিপোর্ট এসে পৌঁছাতে হবে বিচারকদের হাতে। এ সময় আইনজীবী ও শিক্ষার্থীদের মাঝে কিছুটা বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীরা আল্টিমেটাম দিয়ে কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে বক্তারা বিভিন্ন বক্তব্য দিতে থাকেন।
শিক্ষার্থী রাহাত পারভেজ বলেন, আছিয়া দর্শন মামলায় সাত দিনের চার্জ গঠন হয়ে ১৫ দিনে বিচার কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা। সেখানে ১৮ দিন অতিবাহিত হয়ে যাচ্ছে এখনো পর্যন্ত বিচারকদের সমান হচ্ছে না। আমরা হিটু শেখের ফাঁসির দাবিতে নতুন করে রাজপথে এ বিক্ষোভ চলমান রাখা রাখব।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম সদস্য সচিব প্রাপ্তি হোসেন মেঘলা বলেন, আমরা দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রাম করে সরকার পতন ঘটিয়েছি। যদি হাছিয়ার ধর্ষণ ও হত্যার বিচার অল্প সময় না হয় তাহলে আমরা কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলব।
আইনজীবী চাঁদ সুলতানা বলেন, আছিয়ার বিচার কাজ দেরী হচ্ছে না। যতটুকু সময় অতিবাহিত হচ্ছে তার মূল কারণ ডিএনএ এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এখনো বিচারকদের হাতে এসে পৌঁছায়নি। এই রিপোর্ট হাতে এসে পৌঁছালে আশা করা যায় খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এই বিচার কাজটি সম্পন্ন হবে।
আদালতের মূল ফটকের সামনে অবস্থান কর্মসূচিটি শেষ করে মিছিল নিয়ে পুনরায় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ প্রাঙ্গণে এসে বিক্ষোভ সমাবেশটি শেষ করে।