মনপুরা (ভোলা) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ মার্চ ২০২৫ ২২:৫৯ পিএম
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয়রা। প্রবা ফটো
ভোলার মনপুরা উপজেলায় দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। উক্ত মামলায় চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতাররা হলেন- মো. রহিম মাঝি, জসিম উদ্দিন, আল মামুন ও আল আমিন। তারা সকলেই মনপুরা উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা।
এ ব্যাপারে মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান কবীর জানান, নিহত রাশেদের বড় ভাই মো. আজাদ বাদী হয়ে আজ বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটার দিকে মনপুরা থানায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে সকালের দিকে আমরা অভিযান চালিয়ে এই চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, মনপুরা উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের নুরউদ্দিন মার্কেটসংলগ্ন বেড়িবাঁধের কাজ চলছিল। ওই কাজের জিও ব্যাগের কাজ করা নিয়ে নিয়ে প্রভাবশালী গিয়াস উদ্দিন মিঝির ও সোহান গোহাগ বদ্দার মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। এ ঘটনাকে কেন্দ্রে করে বুধবার সকালের দিকে সোহান সোহাগ বদ্দার ও রাশেদসহ কয়েকজন ওই কাজে সেখানে গেলে তাদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা বাঁধে। পরে সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষের ঘটনায় গিয়াস উদ্দিন মিঝিসহ তার লোকজনের হামলায় রাশেদ গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হন। এর মধ্যে রাশেদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে প্রথমে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে রাত ৮টার দিকে মারা যান।
এ দিকে দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ হত্যার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও স্মরকলিপি দিয়েছে বিএনপির ভোলা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম সমর্থিত ছাত্রদলের একাংশ।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা বিএনপি সভাপতি আলহাজ্ব সামস উদ্দিন বাচ্ছু চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান মিলন মাতাব্বর, সাংগঠনিক সম্পাদক, মাহবুবুল আলম শাহীন, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, মাস্টার জামাল উদ্দিন, জলিল মেম্বার, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আল আমীন, সাবেক সম্পাদক নুর আলম শামীম, ছাত্রদল নেতা, রাকিব, মামুন, রুবেলসহ বিএনপি ও সহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নের্তৃবৃন্দ।