নোয়াখালী প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ মার্চ ২০২৫ ১৬:৪৬ পিএম
গৃহশিক্ষক মো. সুজন। প্রবা ফটো
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণের চার বছর পর গৃহশিক্ষক মো. সুজনকে (৩১) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-৩ এর সদস্যরা। তিনি সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের হেঞ্জু মিয়ার ছেলে।
বুধবার (১৯ মার্চ) রাতে বেগমগঞ্জ উপজেলার এখলাশপুর ইউনিয়নের অনন্তপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১১ সূত্রে জানা গেছে, প্রাইভেট পড়ানোর সুবাধে অভিযুক্ত সুজন ভুক্তভোগীকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে চট্টগ্রামে বেড়াতে যাওয়ার জন্য প্রস্তাব দেন। বিষয়টি পরিবার টের পেয়ে প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ করে দেয় এবং আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। ২০২০ সালের ১৭ অক্টোবর সুজন ভুক্তভোগীকে আত্মীয়ের বাসা থেকে প্রলোভন দেখিয়ে ফেনীতে নিয়ে যান। ভুক্তভোগীর বাবা তার মেয়েকে না পেয়ে বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। একপর্যায়ে খবর পেয়ে ফেনী থেকে সুজনসহ দুজনকে বিনোদপুর ইউনিয়ন কার্যালয়ে নিয়ে আসেন। সুজন ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে ওই ছাত্রীকে তার স্ত্রী বলে দাবি করেন। তবে সে সময় তিনি বিয়ের কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি। পরে ভুক্তভোগীর বাবা মামলা দায়ের করলে আসামি সুজন আত্মগোপনে চলে যান। দীর্ঘ চার বছর পর র্যাব এখলাশপুর ইউনিয়নের অনন্তপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে সুধারাম মডেল থানায় সোপর্দ করে।
র্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালীর কোম্পানী কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামি দীর্ঘ চার বছর আত্মগোপনে ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তিনি স্বীকারোক্তির পরে তাকে সুধারাম মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।