চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০২৫ ২২:১৩ পিএম
আপডেট : ১২ মার্চ ২০২৫ ১৩:০৪ পিএম
মাদ্রাসাশিক্ষক হাফেজ মাওলানা নজরুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে এক মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে শিশুশিক্ষার্থীদের বলাৎকারসহ নানা যৌন হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে ওই শিক্ষককে জুতাপেটা দিয়ে দায়সারা বিচার করে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
সোমবার (১০ মার্চ) রাত ১২টার মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি ও এলাকার লোকজন সালিশী বৈঠকের মাধ্যমে এ দায়সারা বিচার করে।
অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক হলেন হাফেজ মাওলানা নজরুল ইসলাম। তিনি দোহাজারী পৌরসভার চাগাচর গ্রামে খাজা মাইনুদ্দিন চিশতি আস্তানা শরীফ পরিচালনাধীন একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন। তিনি উপজেলার জোয়ারা গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত ১২ টার সময় মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি ও এলাকার লোকজন সালিশী বৈঠকের আয়োজন করে। বৈঠকে নির্যাতিত শিশুশিক্ষার্থীরা জবানবন্দি দেয়। এর পর মাদ্রাসার ওই শিক্ষক জবানবন্দির মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা নিজের মুখে স্বীকার করেন। এ সময় তিনি উপস্থিত সালিশে ক্ষমা চান। বৈঠকের সর্বসিদ্ধান্তক্রমে অভিযুক্তকে আইনের হাতে সোপর্দ না করে জুতাপেটা দিয়ে মাদ্রাসা থেকে অব্যাহতির মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়।
দেশ ব্যাপকহারে ধর্ষণের ঘটনায় এখন তোলপাড়। এমন সময়ে তাকে আইনের হাতে সোপর্দ না করে প্রহসনের বিচার করায় অপরাধীরা আরও উৎসাহিত হবে বলে সচেতন মহল মনে করেন। অভিযুক্ত এই মাদ্রাসাশিক্ষককে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এলাকার অভিভাবকরা।