× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

দেশজুড়ে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা বাড়ছে

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৫ ২২:৪০ পিএম

আপডেট : ১০ মার্চ ২০২৫ ২৩:০৯ পিএম

দেশজুড়ে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা বাড়ছে

বাংলাদেশে এ মুহূর্তে সবচেয়ে বড় সামাজিক ব্যাধি ধর্ষণ। ছড়িয়ে পড়েছে সংক্রামক আকারে। শুধু ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত থাকছে না ধর্ষকরা। প্রমাণ লোপাট করতে হত্যা করা হচ্ছে নির্যাতিত নারীকে। পঞ্চগড়ে ধর্ষণের পর যৌনাঙ্গ ও স্তন কেটে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে নির্যাতিতাকে। চাঁদপুরে বাকপ্রতিবন্ধী ধর্ষিত নারী সন্তান প্রসবের পর মৃত্যুবরণ করেন। এদিকে হবিগঞ্জে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৬ বছরের শিশু। 

গুলশানে শিশু ধর্ষণের দায়ে একজন গ্রেপ্তার

রাজধানীর গুলশান থানাধীন বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক এলাকায় ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সজল হোসেনকে (পলাশ) আটক করেছে গুলশান থানা পুলিশ।

রবিবার (০৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। পরে শিশুটিকে গুলশান থানা পুলিশ দুপুর ১টার দিকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাঈম উদ্দিন সুজন জানান, ধর্ষণের শিকার শিশুটিকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য দুপুরে ঢাকা মেডিকেলে ২১২ নম্বর ওয়ার্ডে নিয়ে আসা হয়। পরে শারীরিক পরীক্ষা শেষে তাকে আবার গুলশান এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। এই দুষ্কর্মে অভিযুক্ত সজল হোসেন পলাশকে আটক করা হয়েছে।

শিশুটির মা জানান, আমি বাসাবাড়িতে কাজ করি। সজল হোসেন পলাশ আমাদের পূর্বপরিচিত, সে একজন গাড়িচালক। সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে আমার বাসায় যায় ও বাসায় কেউ না থাকায় জোরপূর্বক আমার মেয়েকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে। পরে আমি সন্ধ্যায় দিকে কাজ শেষে বাসায় ফিরে আমার মেয়ে আমাকে ঘটনাটি খুলে বলে। পরে আমি থানায় গিয়ে পলাশের বিরুদ্ধে একটি মামলা করি। পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। আটককৃত সজল পেশায় একজন গাড়িচালক।

পঞ্চগড়ে ধর্ষণের পর যৌনাঙ্গ ও স্তন কেটে হত্যা

একতা এক্সপ্রেস ট্রেনে পরিচয়। তারপর তরুণীকে নিয়ে কিসমত এলাকায় বিভিন্ন স্থানে নিয়ে বারবার ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে তাকে মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে অচেতন করে। তারপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে যৌনাঙ্গ, স্তনসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে হত্যা নিশ্চিত করা হয়। পরে মরদেহ ফেলে রাখা হয় রেললাইনে। এমন নৃশংস হত্যার বর্ণনা দিয়েছেন হত্যাকারী রিফাত বিন সাজ্জাদ (২৩)। 

ক্রাইম থ্রিলারের মতো সবকিছু লুকালেও শেষ রক্ষা হয়নি সাজ্জাদের। এবার ইজিবাইক চুরি করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হয় সে। তারপর তার মুঠোফোনে পাওয়া ভিডিওর সূত্র ধরেই বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর ওই হত্যাকাণ্ডের সব কাহিনী। আসামি রিফাত বিন সাজ্জাদের বাড়ি পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাঝগ্রামে। সে ওই এলাকার আকতার হোসেনের ছেলে।

সোমবার দুপুরে পঞ্চগড় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এই হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী।

তিনি জানান, গত ১৪ জানুয়ারি জেলার আটোয়ারী উপজেলার কিসমত এলাকায় রেললাইনে একটি অজ্ঞাত নারীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। হত্যাকাণ্ড হলেও এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে পারছিল না পুলিশ। থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়। 

এদিকে হত্যাকাণ্ডের পরও আসামি সাজ্জাদ একের পর অপরাধকর্ম চালিয়ে যেতে থাকে। গত ৮ মার্চ রাতে আটোয়ারী উপজেলার রাধানগর এলাকার তাহিরুল ইসলামের বাড়িতে ইজিবাইক চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে সাজ্জাদ। এ সময় স্থানীয়রা তাকে উত্তমমাধ্যম দেন। এ সময় তার মোবাইলে একটি নারীকে বেঁধে রাখার ভিডিও দেখতে পায় তারা। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে অজ্ঞাত ওই নারীকে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দেয়। তার দেওয়া তথ্যমতে, মেয়েটাকে প্রথমে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। পরে যৌনাঙ্গ, স্তনসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে চাকু দিয়ে কেটে হত্যা করা হয়। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর মরদেহ ফেলে দেওয়া হয় রেললাইনে।

পরে স্থানীয় জনতা তাকে তুলে দেয় পুলিশের হাতে। 

চাঁদপুরে বাকপ্রতিবন্ধী ধর্ষিতার সন্তান প্রসবের পর মৃত্যু 

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় এক বাকপ্রতিবন্ধী নারী ধর্ষণের শিকার হয়ে বাচ্চা প্রসবের পর মারা যান। সোমবার বিকালে ওই নারীকে দাফন করা হয়। এর আগে অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্ষক মেহেদি হাসান ওরফে প্রদীপকে (৩০) গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠায় পুলিশ। 

গ্রেপ্তারকৃত প্রদীপ উপজেলার আশ্রাফপুর ইউনিয়নের আশ্রাফপুর গ্রামের আবদুর রহিমের ছেলে। মারা যাওয়া বাকপ্রতিবন্ধী একই গ্রামের বাসিন্দা। 

মামলার বাদী তার ভাই শেখ ফরিদ বলেন, রোববার রাতে বোন সন্তান প্রসব করে। পরে তার অবস্থা গুরুতর হলে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, প্রদীপদের বাসায় আমার বোন পারিবারিক কাজ করতে যেত। কোনো এক সময় সে বোনকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি জানাজানি হলে তাকে বিয়ের জন্য পারিবারিক ও সামাজিকভাবে চেষ্টা করা হয়। প্রদীপ রাজি না হওয়ায় গেল ৩ মার্চ কচুয়া থানায় একটি অভিযোগও দেওয়া হয়। 

স্থানীয় ইউপি সদস্য হাছিনা বেগম বলেন, একাধিকবার বৈঠকের চেষ্টা হয়। কিন্তু সমাধান হয়নি। এখন মেয়েটি মারা গেছে। ছেলেও জেলহাজতে। এ বিষয়ে কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবদুল হালিম মুঠোফোনে জানান, কচুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৯ (১) ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। যার মামলা নং ৩। অভিযুক্ত প্রদীপকে ৩ মার্চ রাতে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, কন্যাশিশুর পিতৃত্ব নিশ্চিত করতে নিহত বাকপ্রতিবন্ধীর ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। পরে শিশুর ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে পিতৃপরিচয় শনাক্ত করা হবে। 

হবিগঞ্জে ৬ বছরের শিশু ধর্ষণ 

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ৬ বছরের জনৈক এক শিশুকে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ভিকটিমকে উদ্ধার করে প্রথমে বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলেও পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

এ ঘটনায় জড়িত দুই কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। এর আগে এই ঘটনায় ভিকটিমের নানী মিনারা বেগম বাদী হয়ে বানিয়াচং থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। আটককৃতরা হলোÑ বানিয়াচংয়ের দক্ষিণ যাত্রাপাশা বনমথুরা গ্রামের সাজমান মিয়ার পুত্র নোফায়েল মিয়া (১৭) ও একই এলাকার ফরিদ মিয়ার পুত্র শামীম মিয়া (১৫)।

পুলিশ জানায়, গত ৯ মার্চ বিকালে শিশুটি দক্ষিণ যাত্রাপাশায় তার বাড়িতে খেলাধুলা করছিল। ওই শিশুটিকে ১০ টাকা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে বাড়ির পার্শ্ববর্তী মুক্তা গাছের ঝোপ-জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় ভিকটিমের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে বখাটেরা পালিয়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন। ঘটনার রাতেই অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নোফায়েল মিয়া ও শামীম মিয়াকে আটক করে।

ঝিনাইদহে সাড়ে চার বছরের শিশু ধর্ষণ

মাগুরায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে আলোড়নের মধ্যে এবার ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে সাড়ে চার বছরের একটি শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ঘটনার ১১ দিন পর সোমবার ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা করেছে শিশুটির পরিবার। মামলার দায়েরের পর অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। 

শিশুটির পরিবার ও পুলিশ জানায়, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি হরিণাকুণ্ডু উপজেলার পোলতাডাঙ্গা গ্রামের খন্দকার রেজাউল ইসলামের ছেলে রাজমিস্ত্রি ইমরান হোসেন (১৫) শিশুটিকে চকলেট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ির পাশের ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে। শিশুটির পরিবার লজ্জায় ঘটনাটি আড়াল করার চেষ্টা করে। শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শিশুটিকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা জেলার সরোজগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ধর্ষক ইমরানকে গ্রেপ্তার করেছে ঝিনাইদহ গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল।

হরিণাকুণ্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমএ রউফ খান বলেন, ঘটনার দিন সকালে ইমরান হোসেন ওই শিশুকে চকলেট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ির পাশের ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে। ওই শিশু অসুস্থ হয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়। সোমবার সকালে ভিকটিমের মা হরিণাকুণ্ডু থানায় এসে এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। আসামি ইমরানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ইটভাটায় কিশোরী সহকর্মীকে ধর্ষণের দায়ে শ্রমিক গ্রেপ্তার

শেরপুরের নকলায় ইটভাটার এক কিশোরী শ্রমিককে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগে আরেক শ্রমিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে গত রবিবার রাতে থানায় মামলা করেছেন।

১০ মার্চ সোমবার নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান তথ্যটি জানিয়েছেন।

গ্রেপ্তার সাব্বির হোসেনের (২০) বাড়ি খুলনার পাইকগাছা উপজেলায়। তিনি নকলা উপজেলার একটি ইটভাটায় কাজ করেন।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাব্বির ও ওই কিশোরী ইটভাটার শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। গত রবিবার  বিকালে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ইটভাটার নির্জন স্থানে নিয়ে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন সাব্বির। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে নকলা থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ সেখানে গিয়ে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে এবং সাব্বিরকে আটক করে।

রামগতিতে ধর্ষণের শিকার কিশোরীর আত্মহত্যা 

গ্রাম্য সালিশি বৈঠকে বিচারের পরিবর্তে নানা অপবাদ দেওয়ায় লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে ধর্ষণের শিকার জান্নাত বেগমের (১৬) আত্মহত্যার মামলার প্রধান আসামি মো. রাকিব হোসেনকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

সোমবার (১০ মার্চ) ভোরে কুমিল্লা জেলা শহর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ মামলায় ইতঃপূর্বে মো. হেলাল নামের আরেকজনকেও গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ।

মামলা এজাহার ও পরিবারসূত্রে জানা যায়, উপজেলার চরবাদাম ইউনিয়নের পশ্চিম চরকলাকোপা গ্রামের সেলিনা আক্তারের মেয়ে জান্নাত বেগমের সঙ্গে প্রতিবেশী মো. খবিরের ছেলে মো. রাকিবের গত ৬-৭ মাস ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছে। সম্পর্কের জের ধরে গত ১ মার্চ গভীর রাতে জান্নাতের বসতঘরে প্রবেশ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে তাকে। এ সময় জান্নাতের মা সেলিনা আক্তার টের পেলে রাকিব পালিয়ে যায়। ইতঃপূর্বে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে রাকিব আরও কয়েকবার ধর্ষণ করেছে বলে জান্নাত তার মাকে জানিয়েছে। 

বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে গ্রামের লোকজন ও অভিযুক্ত মো. হেলাল, মো. আজাদসহ বেশ কয়েকজন মিলে গত মঙ্গলবার সালিশ বৈঠকের আয়োজন করে। বৈঠকে মো. বাশার, জামশেদ উদ্দিনসহ অভিযুক্তরা জান্নাতকে চরিত্রহীনাসহ বিভিন্ন ধরনের অপবাদ দেয়। বিষয়টি মীমাংসা না করে অভিযুক্তরা উল্টো নানা হুমকি-ধমকি দিতে থাকে জান্নাত ও তার পরিবারকে।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) সকালে জান্নাতকে বাড়িতে রেখে বাড়ির পাশে ফসল দেখতে যায় তার মা সেলিনা। এ সময় হেলাল তাদের বাড়িতে গিয়ে জান্নাত ও তার মা সেলিনার চুল কেটে এলাকায় ঘোরাবে বলে হুমকি দেয়। ওই দিন দুপুর ১২টার দিকে বসতঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেয় জান্নাত। পরিবারের অভিযোগ, বিচার না পাওয়া এবং নানা হুমকি-ধমকি এবং অপমান সইতে না পেরে জান্নাত আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছিল।

নড়াইলে বরই দেওয়ার কথা বলে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা

নড়াইলের লোহাগড়ায় বরই দেওয়ার কথা ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

গত বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) সকালে লোহাগড়ার লাহুড়িয়া ইউনিয়নে দীননাথপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনা স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার চেষ্টা করে এলাকার মাতবরেরা। কিন্তু ৪ দিন ধরে মীমাংসায় ব্যর্থ হলে সোমবার (১০ মার্চ) বিকালে শিশুটির মা হাসিনা বেগম বাদী হয়ে লোহাগড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। 

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন পান্নু মোল্যা (৩৮) ও তার ভাবি শারমিন বেগম (৩০) তারা দীননাথপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

এ ছাড়াও কিশোরগঞ্জে অষ্টম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে তোফাজ্জল ওরফে দ্বীন ইসলাম (২৭) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা থানার সামনে জড়ো হয়ে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

(তথ্য দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদকরা)

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা