নোয়াখালী প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১০:৩৩ এএম
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১১:০৯ এএম
ছবি : সংগৃহীত
চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ঠেকাতে মধ্যরাতে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আবদুল্লাহ-আল-ফারুক জেলার বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করছেন। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে সুধারাম এবং বেগমগঞ্জ থানা এলাকার বিভিন্ন চেকপোস্টের কার্যক্রম সরেজমিনে উপস্থিত থেকে তদারকি করেন তিনি। এ সময় প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, সিএনজি, মোটরসাইকেল ও বাস থামিয়ে কাগজপত্র যাচাই ও তল্লাশি চালানো হয়।
জানা যায়, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার এবং জনসাধারণের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে রাতভর পুলিশ সদস্যরা চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করেন। মঙ্গলবার মধ্যরাতে চেকপোস্টের কার্যক্রম সরেজমিনে তদারকি করতে পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আবদুল্লাহ-আল-ফারুক নিজেই হাজির হন। এ সময় প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, সিএনজি, মোটরসাইকেল ও বাস থামিয়ে কাগজপত্র যাচাই ও তল্লাশি চালান। এ ছাড়া কাউকে সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। একইসঙ্গে সড়কে চলাচল করা ব্যক্তিদের গন্তব্য ও বের হওয়ার কারণ জানতে চাওয়া হয়।
পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আবদুল্লাহ-আল-ফারুক নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রতি চুরি-ছিনতাই ও ডাকাতি বেড়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে থানা পুলিশকে নিজ নিজ এলাকায় রাতে টহল জোরদার এবং চেকপোস্টগুলোতে সক্রিয় দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমি নিজেই সরেজমিনে মনিটরিং এবং তল্লাশি করেছি। কোনো অপরাধী ছাড় পাবে না।’
তিনি আরও বলেন, পুলিশ চেকপোস্টে তল্লাশি করলেও কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছে না যাত্রীরা। তল্লাশি শেষে দ্রুত প্রস্থানের ব্যবস্থা করছে পুলিশ। অপরাধ দমনে টহল ও চেকপোস্টের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। যতদিন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে না আসবে, ততদিন এ কার্যক্রম চলবে।