পবিপ্রবি
দুমকী (পটুয়াখালী) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৭:২৩ পিএম
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র ও বাণিজ্যমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরীর আগমনকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুইগ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে দুজন আহত হয়েছেন।
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে পবিপ্রবির মুক্ত বাংলার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- এতে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইব্রাহিম ও সদস্য মতিউর রহমান দিপু। তাদেরকে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসার পর বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আগামী বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) পবিপ্রবির বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালন উপলক্ষে প্রশাসনের সঙ্গে প্রস্তুতিমূলক মতবিনিময় সভা করার জন্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন। আগমনকে কেন্দ্র করে তার সমর্থক জসিম উদ্দিন হাওলাদার, ইব্রাহিম খলিল, মতিউর রহমান দিপু দাওয়াত পেলেও আনোয়ার হোসেন হাওলাদার গ্রুপ দাওয়াত না পাওয়ায় এই সংঘর্ষ হয়।
এ বিষয়ে বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, ‘ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন না করার কারণে হাতাহাতি হয়েছে।’
উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান বলেন, ‘আলতাফ হোসেন চৌধুরী দুমকিতে তথা পবিপ্রবির ক্যাম্পাসে আগমন সম্পর্কে আমরা উপজেলা বিএনপি কিছুই জানিনা।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বহিরাগতদের সংঘর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দুর্বলতার বহিঃপ্রকাশ কি না এমন প্রশ্নের জবাবে প্রক্টর অধ্যাপক আবুল বাশার খান বলেন, ‘কীসের দুর্বলতা! আমার ওপরও যদি হামলা হয় তাহলে প্রশাসনের কি করার আছে প্রশাসন কি আমাকে সারাদিন পাহারা দিয়ে রাখবে?’
পবিপ্রবির রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিন বলেন, ‘আলতাফ হোসেন চৌধুরী রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ হিসেবে ক্যাম্পাসে আসেন নাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্নে অবদান থাকায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শুভাকাঙ্খী হিসেবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রস্তুতি বৈঠকে তাকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। তবে তার উপস্থিতিতে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির সুস্পষ্ট তথ্য প্রমান এবং অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।’
গত ১৩ আগস্ট শিক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে তৎকালীন রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে পবিপ্রবি থেকে সকল ধরনের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়।