কক্সবাজার প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৯:২২ পিএম
আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৯:৩২ পিএম
সংঘাত ও শঙ্কামুক্ত জীবন আমাদের সবার কাম্যÑ প্রতিপাদ্যে কক্সবাজারে ‘হাঁটা দিবস’ পালন। দিবসটি পালনে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্ট থেকে ‘লেটস ওয়াক’ নামের একটি সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে একটি র্যালি বের করা হয়।
বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শুরু হওয়া র্যালিটি সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়। র্যালিতে আয়োজনকারী সংগঠনটির সদস্যদের পাশাপাশি ঘুরতে আসা পর্যটক, শিক্ষার্থী ও ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন।
দিবসটি পালনের স্বপ্নদ্রষ্টা ও আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রমকারী এশিয়ান প্রথম নারী জান্নাতুল মাওয়া রুমা সাংবাদিকদের বলেন, হাঁটার ফলে মানুষের দৈহিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মনও প্রফুল্ল থাকে। নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস থাকলে ডায়াবেটিস, ক্যানসার, লিভার ও কিডনির মতো জটিল রোগ প্রতিরোধের পাশাপাশি মাংসপেশি সক্রিয় থাকে। এতে একজন মানুষ রোগমুক্ত জীবনের হাতছানি পাবে।
তিনি বলেন, দিবসটি পালনে সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা যেমন প্রয়োজন, তেমনি সামাজিক আন্দোলন হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজন সামাজিক অংশগ্রহণও।
কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার অঞ্চলের পরিদর্শক তপন তালুকদার বলেন, হাঁটার মাধ্যমে মানুষের দৈহিক সক্ষমতা যেমন বাড়ে, তেমনি মনও প্রফুল্ল থাকে। তাই প্রতিটি মানুষের হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। এবার দিবসটি পালনের আনুষ্ঠানিকতা কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে অনুষ্ঠিত হওয়ায় হাঁটা সম্পর্কে মানুষের পাশাপাশি পর্যটকদের মাঝেও সচেতনতা সৃষ্টি হবে।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, ‘হাঁটা দিবস’ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত না হলেও বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন দেশে পালিত হয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রমকারী প্রথম এশিয়ান নারী জান্নাতুল মাওয়া রুমার প্রস্তাবনা বিগত ২০১৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনিই বাংলাদেশে প্রথম দিবসটি পালনের প্রচলন শুরু করেন। পরবর্তীতে গত ২০২০ সালে সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ‘১৯ ফেব্রুয়ারিকে হাঁটা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। সেই থেকে প্রতি বছর দিনটি দেশে ‘হাঁটা দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।