বগুড়া অফিস
প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ২১:১১ পিএম
আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ২১:১৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সখ্যতা রাখার অভিযোগে সদ্য ঘোষিত জাতীয়তাবাদী যুবদল বগুড়া জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে স্থান পাওয়া পাঁচ নেতার প্রাথমিক পদসহ সকল পর্যায়ের পদ স্থগিত করা হয়েছে। তবে যুবদল বগুড়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান জানিয়েছেন, এটি সাময়িক পদক্ষেপ।
রবিবার (১৬) ফেব্রুয়ারি সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে তারা হলেন- যুবদলের বগুড়া জেলা কমিটির সাহিত্য ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সুজাউল ইসলাম সুমন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ইনছান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আহসান হাবিব সেলিম, সহ-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ রানা ও নির্বাহী সদস্য সজল হোসাইন রহমত।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয়তাবাদী যুবদল বগুড়া জেলা এবং শহর শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। ওইদিন ঘোষিত ১০১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা কমিটিতে স্থান পাওয়া বেশ কয়েকজন নেতার সঙ্গে অতীতে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সখ্যতা এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের ছবি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর আজ রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম সোহেল স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত পাঁচ নেতার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানানো হয়।
তবে কি কারণে তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে তার কারণ জানানো হয়নি।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুধু বলা হয়েছে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নের নির্দেশক্রমে নেওয়া ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তারা দলীয় সকল কার্ক্রম থেকে বিরত থাকবেন বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পাঁচ নেতার বিরুদ্ধে কেন্দ্রের শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কারণ জানতে চাইলে বগুড়া জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রচার-প্রচারণা এবং তার ভিত্তিতে কিছু পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের কারণে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সাময়িকভাবে এ ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছেন। তবে তার দাবি উল্লেখিত পাঁচ নেতা কখনোই যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। কেন্দ্র থেকে তদন্ত টিম পাঠানো হলে প্রকৃত সত্য জানার পর সত্য বেড়িয়ে আসবে।’