× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

আধুনিক নৌবন্দর

উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার বদলে দেবে বাণিজ্যিক চিত্র

রফিকুল ইসলাম সান, বেড়া-সাঁথিয়া (পাবনা)

প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৭:৫৮ পিএম

আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৮:০১ পিএম

 বুধবার নগরবাড়ী ঘাট থেকে তোলা। প্রবা ফটো

বুধবার নগরবাড়ী ঘাট থেকে তোলা। প্রবা ফটো

উত্তরাঞ্চলের অন্যতম প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত পাবনার বেড়া উপজেলার নগরবাড়ীতে তৈরি হচ্ছে আধুনিক মানের নৌবন্দর। ইতোমধ্যেই এই প্রকল্পের প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে, যদিও নানা জটিলতার কারণে প্রকল্পের মেয়াদ দুইবার বাড়ানো হয়েছে। এর সম্পন্ন হলে, রাজস্ব আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় কর্মসংস্থান এবং পণ্য খালাসের গতি অন্তত ১০ গুণ বাড়বে বলে আশাবাদী স্থানীয়রা।

বর্তমানে নৌবন্দরের মাধ্যমে নদীপথে সিমেন্ট, কয়লা, সার, পাথরসহ নানা পণ্য পরিবহন করা হবে, যা পূর্বে নদীতীরে খালাসের কারণে বেশি খরচ ও ঝুঁকির মুখে পড়ত। কিন্তু আধুনিক নৌবন্দর নির্মাণের ফলে এখন পণ্য পরিবহন অনেক সহজ ও সাশ্রয়ী হবে।

নগরবাড়ী নৌবন্দর দিয়ে পণ্য পরিবহনকারী ট্রাকচালক মনির হোসেন বলেন, কিছুদিন আগেও পণ্য খালাস বা লোড করতে অনেক বেগ পেতে হয়েছে। বন্দরের নির্মাণকাজ শেষ হলে আগেরমত বেগ পেতে হবে না। যানবাহনের চলাচল দ্বিগুন বাড়বে, ফলে তাদের কাজ ও আয়ও বাড়বে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ঘাট শ্রমিক সরদার হাবিবুর রহমান হাবি বলেন, দির্ঘদিন ধরে চলছে এই আধুনিক নৌবন্দর নির্মাণের কাজটি। দ্রুত কাজ শেষ হোক এই প্রত্যাশা করে তিনি আরও বলেন সরকার যদি এখানকার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ায়, তাহলে তাদের খুবই উপকার হবে। নির্মাণকাজ শেষ হলে বর্তমানের চেয়ে অধিক শ্রমিকের কর্মসংস্থান বাড়বে।

সরেজমিন দেখা যায়, একদিকে জাহাজ থেকে পণ্য খালাসের কাজ চলছে, অন্যদিকে সমানতালে নির্মাণকাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। শ্রমিকদের কর্মব্যস্ততায় মুখরিত রয়েছে নদীবন্দর এলাকা জুড়ে। বিভিন্ন জাহাজ থেকে পণ্য খালাস করে ট্রাকে লোড দেওয়া হচ্ছে, পাশাপাশি অত্যাধুনিক মেশিনের সাহায্যে পণ্য স্থানান্তর করা হচ্ছে।

জানা যায়, ২০১৮ সালে ৫৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে যমুনা নদীর তীরে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের কাজ প্রথমে ২০২২ সালের জুনে শেষ করার লক্ষ্য ছিল। তবে ভূমি অধিগ্রহণসহ নানা জটিলতায় কাজের মেয়াদ দু'বার বাড়ানো হয়েছে। এখন প্রকল্পটির ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে, ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হবে।

নগরবাড়ী নদীবন্দরের বিআইডব্লিউটিএ এর বন্দর কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াকিল বলেন, চট্টগ্রামের আধুনিক নৌবন্দরের মতো এখানেও উন্নত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হবে। বর্তমানে প্রতিদিন ২ হাজার টন মালপত্র খালাস করা সম্ভব হলেও বন্দরের কাজ শেষ হলে প্রতিদিন ২০ হাজার টন পর্যন্ত পণ্য খালাস করা যাবে। এর ফলে সরকারের রাজস্ব আয় যেমন বাড়বে, তেমনি দেশের বাণিজ্য ব্যবস্থাও আরও গতিশীল হবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা