× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

হামলা পর গাজীপুর উত্তাল

গাজীপুর প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ০৯:৪৭ এএম

গাজীপুরে নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ শনিবার দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত মোবাশ্বের হাসান ও কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক সারজিস আলমের নেতৃত্বে শনিবার রাজবাড়ী সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ। প্রবা ফটো (ওপরে); শুক্রবার হামলায় আহত আরও ৪ জন

গাজীপুরে নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ শনিবার দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত মোবাশ্বের হাসান ও কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক সারজিস আলমের নেতৃত্বে শনিবার রাজবাড়ী সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ। প্রবা ফটো (ওপরে); শুক্রবার হামলায় আহত আরও ৪ জন

পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা, সাবেক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাড়িতে মারধরের শিকার হয়ে শিক্ষার্থীর আহত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে গাজীপুর। বিক্ষোভ সমাবেশ, মিছিল, স্লোগানে শনিবার উত্তপ্ত ছিল রাজধানীর উপকণ্ঠে অবস্থিত এই মহানগর। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি দাবিতে নগরের ভাওয়াল-রাজবাড়ী সড়ক অবরোধ করে সমাবেশ করেছে জাতীয় নাগরিক কমিটি। এ সময় আন্দোলনকারীরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার কথা স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছে মহানগর পুলিশ। সংশ্লিষ্ট থানার ওসিকে প্রত্যাহার করাসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এ ঘটনায়। হামলাকারীদের বিচারের আশ্বাস পেয়ে শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন। তবে সন্ধ্যার পর ডিসি অফিসের সামনে শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। এতে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। 

যা ঘটেছে শুক্রবার রাতে

শুক্রবার রাতে এই ঘটনার সূত্রপাত হয়। এলাকাবাসী জানায়, রাত ৯টার দিকে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা গাজীপুরের ধীরাশ্রমের দক্ষিণখানে মোজাম্মেল হকের বাড়িতে হামলা চালান। তারা বাড়ির ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর করেন। এ সময় মসজিদের মাইকে মন্ত্রীর বাড়িতে ডাকাত পড়েছে বলে ঘোষণা দিয়ে লোকজনকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। মাইকিং শুনে আশপাশের লোকজন বাড়িটি ঘিরে ফেলেন। তারা ভাঙচুরকারী কয়েকজনকে মারধর করেন। 

ঘটনার বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা ও আহত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনার পর তারা গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার করেন যে, কোথাও ভাঙচুর হলে তাদের জানাতে। শুক্রবার রাতে তাদের কাছে খবর আসে ধীরাশ্রম এলাকায় সাবেক মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট হচ্ছে। এটি শোনার পর প্রতিহত করতে শিক্ষার্থীরা সেদিকে রওনা হয়। ১৫ জন দ্রুত ঘটনাস্থলে চলে যায়। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, লুটপাট হচ্ছে। এতে বাধা দিলে পেছন থেকে হুট করে অনেক মানুষ জড়ো হয়ে যায়। তাদের হাতে রামদাসহ বিভিন্ন অস্ত্র ছিল। অন্য শিক্ষার্থীরা আসার আগেই ওই ১৫ জনকে ছাদে নিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করা হয়। এর মধ্যে গুরুতর আহত সাত জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ঘটনাটি পুলিশকে জানানো হলে ২ ঘণ্টা পর সেখানে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে। পরে সেনাবাহিনীও ঘটনাস্থলে আসে। 

শুক্রবার রাতেই আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে যান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক সারজিস আলম। রাত ৩টার দিকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আহত ব্যক্তিদের খোঁজখবর নিতে যান তারা। আহতদের বিষয়ে ঢাকা মেডিকেলের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, অধিকাংশেরই মাথায় ইনজুরি ছিল, কারও ফ্র্যাকচার রয়েছে। একজনের হাত-পা ভাঙা ছিল, তাদের ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি

হামলার প্রতিবাদে রাতেই গাজীপুর মহানগরে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। শনিবার দুপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতাকর্মীরা। গাজীপুর জেলা শহরের রাজবাড়ী মাঠে জাতীয় নাগরিক কমিটির গাজীপুর জেলা ও মহানগর শাখার আয়োজনে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। তাতে যোগ দেন হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম। পরে শিক্ষার্থীরা শহরে খণ্ড খণ্ড মিছিল বের করেন। সমাবেশে বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় সংগঠক আলী নাসের খান, কেন্দ্রীয় সদস্য এম সোয়েব, গাজীপুর মহানগরের গাছা থানা প্রতিনিধি আনিসুর রহমান, টঙ্গী পশ্চিম থানা প্রতিনিধি নাবিল ইউসুফ প্রমুখ। 

সমাবেশে সারজিস আলম বলেন, ‘খুনি শেখ হাসিনা দেশে ছেড়ে পালিয়েছে। বাংলাদেশে যে দুই-তিনটি জেলায় রণক্ষেত্র হয়েছিল, যে দুই-তিনটি জেলার ছাত্র-জনতা বুক পেতে দিয়ে, রক্ত দিয়ে, সবার সামনে থেকে এই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছে, তার মধ্যে একটি গাজীপুর। এই অভ্যুত্থানে যারা সহযোদ্ধা, তারা তখনও জীবন দিতে প্রস্তুত ছিল, এখনও জীবন দিতে প্রস্তুত আছে। কিন্তু ওই খুনি হাসিনা, খুনি জাহাঙ্গীরের দোসররা এই গাজীপুরে যদি আবার উৎপাত করতে চায়, এই ছাত্র-জনতা তাদের আর ছাড় দেবে না।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘কালকে (শুক্রবার) আমাদের অনেক সহযোদ্ধাকে তারা রক্তাক্ত করেছে। জীবননাশের হুমকি দিয়েছে। আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বলতে চাই, যে ছাত্র-জনতা জীবন দিয়ে আপনাদের ওই সরকারে বসিয়েছে, তাদের জীবনের নিরাপত্তা কে দেবে? যে পুলিশ প্রশাসনকে নতুন করে ওই চেয়ারগুলোতে বসিয়েছে, সেই পুলিশ প্রশাসন কেন বাংলা সিনেমার মতো ঘটনা ঘটার পর রাজপথে আসে।’

দুই ঘণ্টা ধরে যোগাযোগ করেও পুলিশকে মাঠে নিতে পারেননি উল্লেখ করে সারজিস বলেন, ‘এখন যদি এই সরকার কিংবা পুলিশ মনে করে যে, তারা শুধু ৯টা-৫টা অফিস করবে, তাহলে তাদের চাকরি ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলছি। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, রক্ত আর জীবনের বিনিময়ে এই ছাত্র-জনতা এই বাংলাদেশকে মুক্ত করেছে। তাদের জীবনের নিরাপত্তা দিতে হবে। আমরা দেখেছি, খুনি হাসিনার আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা এখনও গাজীপুরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এই সন্ত্রাসীরা এখনও সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার যোদ্ধাদের হুমকি দিচ্ছে। এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, এই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, এই পুলিশ যদি আজকে (শনিবার) রাতের মধ্যে হামলার সঙ্গে জড়িত ওই খুনিদের গ্রেপ্তার করতে না করতে পারে, তাহলে আমাদের তাদের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে যেতে হবে। আমরা স্পষ্ট করে বলি, বিগত দিন ধরে আমরা ‘গ্রেপ্তার-গ্রেপ্তার’ খেলা দেখতে পাচ্ছি। একদল গ্রেপ্তার করে, দুদিন পর আদালতে বিচারক নামের কিছু অকালকুষ্মাণ্ড, যারা ওই খুনি হাসিনার দোসর, তারা আবার তাদের জামিন দিয়ে দেয়।’

সারজিস আলম আরও বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট করে বলছি, হামলায় যেসব সন্ত্রাসী জড়িত ছিল, তাদের আজকের (শনিবার) মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে। আমরা প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাসী না, আমরা কাজ দেখতে চাই। আমরা এখানে অবস্থান করব, প্রশাসনের কাজ দেখব। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের এই দাবিগুলোর বাস্তবায়ন না হচ্ছে, ওই সন্ত্রাসীরা কারাগারে না যাচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের এই অবস্থান হবে রাজপথ।’

আলী নাসের খান বলেন, আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল করে দ্রুত বিচার আইনে ফ্যাসিবাদীদের বিচার করতে হবে। তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও সম্পদ জব্দ করতে হবে। ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় আনতে হবে। পুলিশ প্রশাসনের ব্যর্থতায় ক্ষোভ প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে ক্ষমা চেয়ে পদত্যাগের দাবি জানান আলী নাসের খান। এ ছাড়া গাজীপুরের পুলিশ কমিশনার ও জেলা প্রশাসকেরও অপসারণের দাবি করেন তিনি।

অপারেশন ডেভিল হান্ট পর্যবেক্ষণের ঘোষণা দিয়ে কর্মসূচি স্থগিত

এদিকে গাজীপুরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আশ্বাস ও অপারেশন ডেভিল হান্ট-এর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের ঘোষণা দিয়ে আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করার কথা জানিয়েছেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘পুলিশের আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। তবে পরিস্থিতি ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণ করা হবে। আশানুরূপ কিছু না হলে পুনরায় কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে।’

প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে গাজীপুরে ছাত্র-জনতার ওপর সন্ত্রাসী আক্রমণের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার থেকেই থেকে সারা দেশে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ অভিযানের কথা জানানো হয়েছে।

হামলার ঘটনায় ওসি প্রত্যাহার, গ্রেপ্তার ১৬

গাজীপুরে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার নাজমুল করিম খান। শনিবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। 

পুলিশ কমিশনার বলেন, শুক্রবার রাতে যে ঘটনাটি ঘটেছে তাতে পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকে আমি ক্ষমা চাচ্ছি। আমি ব্যর্থতা স্বীকার করছি। হামলাকারী কাউকে ছাড়া হবে না, প্রতিটি হামলার জবাব দেওয়া হবে। যেসব পুলিশ রেসপন্স করতে দেরি করেছে তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। 

তিনি আরও বলেন, আমি শুনেছি আমার ওসি ২ ঘণ্টা পর আপনাদের ডাকে সাড়া দিয়েছেন। আমি এখানে দাঁড়িয়ে বললাম, তাকে সাসপেন্ড করব। আমি বলতে চাই, যারা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আঁতাত করে তাদের পুলিশে চাকরি করতে দেওয়া যাবে না। গত ১৭ বছর ধরে যারা অত্যাচার করেছে, জুলুম করেছে তারা মাথাচাড়া দিচ্ছে। কিন্তু তাদের কোনো মাথাচাড়া বরদাশত করা হবে না। ইতোমধ্যে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাতেই চিরুনি অভিযান চালানো হবে। ঘটনায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। 

ডিসি অফিসের সামনে শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ

শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থী মোবাশশির হোসাইন আহত হয়েছেন। তিনি গাজীপুর মহানগরের হারিনাল দক্ষিণপাড়া এলাকার আলী আহমেদের ছেলে। মোবাশশির বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের গাজীপুর জেলার সক্রিয় সদস্য। 

ফ্যাসিবাদবিরোধী মিছিল

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ও জড়িতদের বিচার দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক কমিটিসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিশাল মিছিল নিয়ে শনিবার শহরের রাজবাড়ী রোডে বিক্ষোভ মিছিল করে। মিছিল শেষে তারা বিভিন্ন দাবি উপস্থাপন করেন। এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সদস্য সচিব আরিফ সোহেল বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসররা পরিকল্পিত হামলা করেছে। গাজীপুর থেকেই আজ ফ্যাসিবাদের মূল উপড়ে ফেলার কার্যক্রম শুরু হবে। ১০টার মধ্যে আওয়ামী লীগের দোসরদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও হামলাকারীদের বিচার করার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। 

জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

শনিবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের দেখতে গিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, যারা জড়িত তাদের সর্বোচ্চ বিচারের আওতায় আনা হবে। তাদের যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি হয় এ ব্যবস্থা করা হবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা