কক্সবাজার অফিস
প্রকাশ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ২২:৫৬ পিএম
আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ২২:৫৮ পিএম
সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর রাশেদ মোহাম্মদ সিনহা হত্যাকাণ্ডে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাসের দ্রুত ফাঁসি কার্যকর ও সহযোগীদের বিচারের আওতায় আনার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।
শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে টেকনাফ প্রেস ক্লাবের সামনে সাধারণ নাগরিক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এর আগে জিরো পয়েন্ট শাপলা চত্বরে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্রেস ক্লাবে আসে তারা।
মিছিল শেষে বক্তব্য
দেনÑ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি মোরশেদ আলম, রবিউল হাসান মামুন, সাইফুল
ইকবাল, জুবায়ের আজিজ প্রমুখ। বক্তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে সাবেক ওসি প্রদীপ
কুমার দাসের দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকর ও তার সহযোগীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।
তারা বলেন, খুনি হাসিনা সরকারের সহযোগিতায় মাদক প্রতিরোধের নামে টেকনাফের প্রায় ২০০
জনকে হত্যা করা করেছে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাস। পিতৃ ও স্বামীহারা
লোকজনের আর্তনাদ টেকনাফের আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি
করছে সাধারণ মানুষ।
২০২০ সালের ৩১ জুলাই
রাতে মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর
অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান। পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় দুটি এবং রামু
থানায় একটি মামলা করেছিলেন। ওই বছরের ৫ আগস্ট কক্সবাজার আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন
সিনহার বোন শারমিন শাহারিয়ার। মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় র্যাবকে। তদন্ত শেষে
২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযুক্তপত্র দাখিল করা হয়। ২০২১
সালের ২৩ আগস্ট থেকে ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলে সাক্ষ্যগ্রহণ। যেখানে ৮ দফায় ৬৫ জন সাক্ষী
সাক্ষ্য দেয়। ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি আদালত এই মামলায় ওসি প্রদীপ ও লিয়াকতকে মৃত্যুদণ্ড,
ছয়জনকে যাবজ্জীবন ও সাতজনকে খালাস দেন।