বান্দরবান প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ২০:৩৪ পিএম
আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ২১:০৫ পিএম
মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে সরকার নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলবন্দর করার কথা ভাবছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নৌপরিবহন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার (অব.) জেনারেল ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে বান্দরবান শহরের রোয়াংছড়ি বাস স্টেশন এলাকার বৌদ্ধ অনাথালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সামনে এ কথা বলেন তিনি।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘পাশের দেশ মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ঘুমধুম এলাকায় নতুন একটি স্থলবন্দর করা যায় কি না, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে সরকার। এ ছাড়া পার্বত্য এলাকার বিরাজমান পরিস্থিতি সমাধান করতে আলোচনার মাধ্যমে চেষ্টা করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘বান্দরবান শান্তি ও সম্প্রীতির এলাকা। শান্ত পরিস্থিতি ছিল বান্দরবান জেলায়। আর সবচেয়ে বেশি সুন্দর উপজেলা ছিল রুমা। কিন্তু আমি আশ্চর্য হলাম, হঠাৎ কেন এ এলাকা আশান্ত হয়ে পড়ল। এজন্য ঘটনার মূলে যেতে হবে, সম্মলিতভাবে কারণটা খুঁজে বের করতে হবে। মূলে গিয়ে আলোচনার মাধ্যমে শান্তভাবে পরিস্থিতি সমাধান করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, ‘এখানে দরকার এমন ব্যক্তি যারা পাহাড় সম্পর্কে জানেন, পাহাড়ের কৃষ্টি কালচার সংস্কৃতি আচার ব্যবহার পরিবেশ যাতে কোনোভাবে বিঘ্নিত না হয়।
পাহাড়ে সশস্ত্র সংগঠন কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)-কে উদ্দেশ্য করে উপদেষ্টা বলেন, ‘যারা বিপদে গেছেন তাদের অনুরোধ করবে, যেহেতু কোনও লাভ হয়নি, আগামীতেও লাভ হবে না। আপনারা আসুন, বসে আলাপ আলোচনা করি। আপনাদের সমস্যা থাকলে সমাস্যা নিয়ে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করব।’ তিনি বলেন, ‘এখানে হঠাৎ করে সন্ত্রাসী তৎপরতার বিষয়গুলো সবাইকে ব্যথিত করেছে। যারা সন্ত্রাস করছে, তারা না বুঝে করছে। এতে করে কোনো ফল হবে না। এখন উচিত হবে সবাই মিলে একসঙ্গে বসে সমস্যার সমাধান করা। তবে পার্বত্য এলাকায় শান্তি-সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনতে অভিজ্ঞ মানুষের প্রয়োজন।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বান্দরবানের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাকিব ইবনে রেজওয়ান, শ্রম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আসম আশরাফুল ইসলাম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই, জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি, পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ কাওছার প্রমুখ।