× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

চবি শিক্ষার্থী টুম্পার পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসক

বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৫ ২১:০৮ পিএম

চবি শিক্ষার্থী টুম্পার পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসক

দরিদ্র পরিবারে জন্ম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের মেধাবী ছাত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস টুম্পার। ছুটিতে নাটোরের বড়াইগ্রামে বাড়িতে এসেও বসে থাকেন না তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে যাওয়ার টাকা ও সংসারে সাহায্যের জন্য গ্রামের বাজারে বিক্রি করেন ডিম। এ নিয়ে প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। এর পর টুম্পার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) বিকালে তিনি টুম্পার বাবা ভ্যানচালক আব্দুর রাহিমকে ব্যাটারিচালিত একটি নতুন অটোভ্যান দিয়েছেন। নাটোরের বড়াইগ্রামের পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা প্রশাসক আনুষ্ঠানিকভাবে টুম্পার বাবার হাতে নতুন অটোভ্যানের চাবি তুলে দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেনÑ উপজেলা নির্বাহী অফিসার লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফুল ইসলাম, চবির শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস টুম্পা, বিভিন্ন সাংবাদিকবৃন্দ ও অন্যান্য সুধীজন। 

মাত্র ১৫ দিনের ছুটি পাওয়ার পর প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দূর থেকে নিজ গ্রাম নাটোরের বড়াইগ্রামের নগর ইউনিয়নের দোগাছি গ্রামে আসেন টুম্পা। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম পিতা পেশায় একজন ভ্যানচালক। বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে যেতে বাসভাড়া ও লেখাপড়া এবং নিজের কিছু খরচের জোগান পেতে টুম্পা স্থানীয় মেরিগাছা বাজারে খোলা আকাশের নিচে বেলা ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা অবধি বিক্রি করেন ডিম।

ভ্যান পেয়ে টুম্পার বাবা আব্দুর রাহিম বলেন, ‘আমি অনেক খুশি হয়েছি। আমি আগে নষ্ট ও পুরোনো একটি ভ্যান চালাতাম। যা আয় করতাম তার অর্ধেকই খরচ হতো মেরামত করতে গিয়ে। ডিসি স্যার আমাকে নতুন ভ্যান দিয়েছেন। এই ভ্যান দিয়ে আমি ভালো আয় করতে পারব এবং তা দিয়ে সাধ্যমতো আমার দুই মেয়ের পড়াশোনার জন্য খরচ করতে পারব।’ 

শিক্ষার্থী টুম্পা জানান, ‘সাংবাদিকদের মাধ্যমে আমার অসহায়ত্বের খবরটি ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই সাহায্য করার কথা জানিয়েছেন। কিন্তু আমি সাহায্য নিতে চাই না। আমি পরিশ্রম করে সৎ পথে যতটুকু পেরেছি আয় করেছি। অবশ্যই এটা আমার বা আমার পরিবারের জন্য যথেষ্ট নয়। আমরা গরিব মানুষ। এ ক্ষেত্রে সরকারি অনুদান পেলে বা প্রাতিষ্ঠানিক  কোনো অনুদান পেলে একজন দরিদ্র নাগরিক হিসেবে তা গ্রহণ করব।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, টুম্পা অনেক মেধাবী ছাত্রী। তার লেখাপড়া অব্যাহত রাখার জন্য উপজেলা প্রশাসন থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে। 

জেলা প্রশাসক আসমা শাহিন জানান, টুম্পা যেভাবে দরিদ্রতা দূর করার প্রচেষ্টায় আছে তা খুবই প্রশংসনীয় বিষয়। লেখাপড়া শেষ করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিতে জেলা প্রশাসন তার পাশে আছে।

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা