জয়পুরহাট প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৫ ২০:২৬ পিএম
আপডেট : ২৫ জানুয়ারি ২০২৫ ২০:৩২ পিএম
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে অস্ত্রধারী ডাকাতদের ধরতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ডাকাত সদস্যদের ছোড়া গুলিতে এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দুই নারীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জেলা পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে। বিষয়টি জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেনÑ ডাকাত দলের সদস্য মাজের আলী ওরফে খোকা, আব্দুল মাজেদ ও প্রশান্ত রবিদাস। এ ছাড়া পুলিশের কাজে বাধার অভিযোগে মোমেনা খাতুন ও স্মৃতি আক্তার নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে কোদাল, নগদ ৪১ হাজার টাকা, দুটি বঁটি ও দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত বৃহস্পতিবার রাতে ক্ষেতলাল উপজেলার আলমপুর গ্রামের আবু হায়াতের বাড়িতে ১৫-১৬ জনের ডাকাত দল অবস্থান করছে। এমন খবর পেয়ে ডিবি পুলিশের ওসি আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ, ক্ষেতলাল ও কালাই থানা পুলিশ রাত ৯টার পর ঘটনাস্থলে যায়। ডাকাতদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ সদস্যরা আবু হায়াতের বাড়ির চারপাশ ঘেরাও করে রাখেন। তারা ডাকাত দলের সদস্যদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান। ডাকাত দলের সদস্যরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণ শুরু করে।
একপর্যায়ে পুলিশ পেছনে হটে গিয়ে গোয়েন্দা পুলিশের ওসি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে আরও অতিরিক্ত ফোর্স চান। এরপর জয়পুরহাট সদর থানা, পাঁচবিবি থানার জয়পুরহাট পুলিশ লাইনসের ফোর্স ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ডাকাতরা আবারও গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। এ সময় ডাকাত দলের গুলিতে কনস্টেবল মিজানুর রহমান আহত হন। আত্মরক্ষার্থে ১২ রাউন্ড গুলি ছোড়ে পুলিশ। পুলিশের পাল্টা গুলিতে ডাকাত দলের কয়েকজন সদস্য বাড়ির ভেতরে লুকিয়ে পড়ে। এ সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে পাঁচজনকে আটক করে।
ওসি মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ডাকাতদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছিল। তারা তা না করে পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণ করে। এতে মিজানুর রহমান নামে এক কনস্টেবল আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ক্ষেতলাল থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।