× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

খুলনা মহানগর

সাবেক এমপিকে ফাঁসানো খালেক নিজেই দুদকের জালে

মাশরুর মুর্শেদ, খুলনা

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৫ ১০:৩৮ এএম

আপডেট : ২৫ জানুয়ারি ২০২৫ ১৬:০৭ পিএম

বাঁয়ে তালুকদার আবদুল খালেক ও মিজানুর রহমান মিজান। ছবি কোলাজ : প্রবা

বাঁয়ে তালুকদার আবদুল খালেক ও মিজানুর রহমান মিজান। ছবি কোলাজ : প্রবা

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মিজানকে দলীয় ক্ষমতার সময় দুর্নীতির মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, এই মামলার নেপথ্যে ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আবদুল খালেক। মামলার পর থেকে মিজানকে দলীয় কার্যক্রম থেকে সরিয়ে রাখা হয়। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদলের পর তালুকদার খালেকের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির বড় অভিযোগ উঠেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ইতোমধ্যে তালুকদার খালেকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগ রয়েছে, মেয়র থাকা অবস্থায় তিনি বেনামি ঠিকাদারি কাজের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ উপার্জন করেছেন। বিশেষত মেসার্স হোসেন ট্রেডার্স, তাজুল এন্টারপ্রাইজ এবং আজাদ ইঞ্জিনিয়ার্স নামের তিনটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রায় ৬০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়, যা তত্ত্বাবধান করতেন খালেকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এইচ এম সেলিম। 

অভিযোগ রয়েছে, এসব কাজ মেয়রের নাম ব্যবহার না করে অন্য প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছিল।

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, ওই প্রতিষ্ঠানগুলো ৫ শতাংশ কমিশনের ভিত্তিতে আরও শত কোটি টাকার কাজ বড় ঠিকাদারদের কাছে বিক্রি করেছিল। দুদক ইতোমধ্যে খুলনার সিটি করপোরেশনকে এসব কাজের নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি মেয়র তালুকদার খালেক ও তার স্ত্রী হাবিবুন নাহারের সম্পদের হিসাব সংগ্রহের জন্য আয়কর রিটার্ন ও অন্যান্য নথি তলব করেছে।

এছাড়া তালুকদার খালেক নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকার সময় ক্যাম্পাসের জমি বিক্রি এবং আর্থিক অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। দুদক এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র জব্দ করার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে।

অন্যদিকে সাবেক এমপি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় আদালত তার জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ৩০ জানুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।

২০১৯ সালে মিজানের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় তদন্ত শেষে ২০২১ সালে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। অভিযোগপত্রে তার বিরুদ্ধে ১ কোটি ৫৮ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ এবং ২০ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। দুদকের তত্ত্বাবধানে তদন্ত চলমান রয়েছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা