সিঙ্গাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৫ ১৯:২৭ পিএম
আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০২৫ ১৯:৩৮ পিএম
মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে খালের সরকারি খাসজমি দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে কয়েক দিন আগে প্রতিদিনের বাংলাদেশসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে খাসজমিতে ভবন নির্মাণ বন্ধ করে দেয়।
তবে প্রশাসনের অভিযান সত্ত্বেও ওই জমিতে পুনরায় ভবন নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে চান্দহর ইউনিয়নের বাঘুলী গ্রামের মদন মোল্লার ছেলে প্রবাসী মান্নান মোল্লার বিরুদ্ধে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চান্দহর ইউনিয়নের চান্দহর-সিরাজপুর সড়কের বাঘুলী গ্রামে সরকারি খালের ওপর একটি সেতুর গাইডওয়ালসহ খালের জমি দখল করে প্রবাসী মান্নান মিয়া সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে চান্দহর ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম পরিদর্শন করে ভবন নির্মাণে বাধা দেন। কিন্তু সেই বাধা উপেক্ষা করেই ভবনের নির্মাণকাজ এখনও চলছে।
ভূমি কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। স্থানীয় ইউপি সদস্যকে বিষয়টিতে নজর রাখতে বলেছি। তার পরও কাজ করলে প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।’
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্বাস খান বলেন, এটি সরকারি খাল। একসময় খালটি প্রবহমান ছিল। কৃষিজমির পানি এই খাল দিয়ে বেরিয়ে নদীতে যেত। তবে দখল ও দূষণে খালটি আজ অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। দখলকারীরা প্রভাবশালী হওয়ায় ব্যবস্থা নিচ্ছেন না সংশ্লিষ্টরা। খালটি যেন দখল না হয়, প্রশাসনের কাছে সেই দাবি জানাই।
অবৈধভাবে খাসজমি দখলের বিষয়ে কথা বলতে মান্নান মিয়ার বাড়িতে গেলে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে মান্নানের ছেলে বলেন, ‘এলাকার অনেকেই খালের ভেতর বাড়ি নির্মাণ করেছে। সবাই দখল করছে, তাই আমরাও করছি।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম সোহাগ বলেন, বিষয়টি আমরা জানার পর কাজ বন্ধ করেছি। তার পরও যদি কাজ চলে তবে উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) জানিয়ে আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব।