চুয়াডাঙ্গা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০২৫ ১২:৫৩ পিএম
আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০২৫ ১৩:০৬ পিএম
শীত কাঁপছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গা। প্রবা ফটো
শীত কাঁপছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গা। এই জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। উত্তরের হিমেল বাতাসের কারণে ঠান্ডা জেঁকে বসেছে। কনকনে ঠান্ডা আর হাড় কাঁপানো মাঘের শীতে জুবুথুবু জনজীবন। তীব্র শীতে কষ্টে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষ।
সোমবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দমমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। সকাল ৯টায় ৯ দমমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
ভোরের কুয়াশা আর সকালে তীব্র শীতের সাথে উত্তরের হিমেল হাওয়া। কাবু করে দিচ্ছে মানুষ
ও প্রাণীকূল। গায়ে গরম কাপড় জড়িয়ে কাঁপতে কাঁপতে জীবন-জীবিকার তাগিদে বাইরে বের হচ্ছে
খেটে খাওয়া মানুষ। বেলা গড়িয়ে সন্ধ্যা নামার সাথে সাথেই আরো বেশি শীত অনুভুত হচ্ছে।
রাতে শীতের দাপট দৈত্যের মতো হানা দিচ্ছে এ অঞ্চলের প্রকৃতিতে।
কৃষক শ্রমিক বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘কাদা পানিতে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। শীতে হাতের আঙ্গুল আকাটা হয়ে যাচ্ছে।’
ভ্যানচালক সাদেক আলী বলেন, ‘কিছুদিন শীত একটু কম ছিল। আজ আবার কনকনে ঠান্ডা। ভ্যান চালাতে কষ্ট হচ্ছে।’
জেলা ত্রাণ অফিস জানিয়েছে, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে ১০ হাজার কম্বল পাওয়া গেছে। সেটা বিতরণ করা হচ্ছে। এ ছাড়াও ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ৩০ লক্ষ টাকা দিয়েছে। এই টাকা চারটি উপজেলার ইউএনওদের দেয়া হয়েছে। তারা শীতবস্ত্র (কম্বল) কিনে শীতার্ত মানুষের মাঝে বিতরণ করেছেন।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণীর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ মো. জামিনুর রহমান বলেন,
‘আগামী কয়েকদিন
এ অঞ্চলে তাপমাত্রা আরও কমতে পাারে। এরপর ২৬ জানুয়ারি থেকে তাপমাত্র দুদিন একটু বাড়বে।
তারপর আবারও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।’