ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৫ ১৯:৫৬ পিএম
আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০২৫ ২০:১২ পিএম
শিশু-কিশোরদের গ্রামীণ ঐতিহ্যের বাহারি পিঠার সঙ্গে পরিচিত করতে অভিভাবকদের উদ্যোগে মাঘ পুলির উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। উৎসবমুখর পরিবেশে দেশের গ্রামীণ ঐতিহ্য শীতকালীন বিভিন্ন পিঠা নিয়ে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে উদয়ন স্কুলে এই আয়োজনটি করা হয়।
রবিবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা মায়েরা হাতে তৈরি বাহারি পিঠার পসরা সাজিয়ে বসে। আর শিক্ষার্থীরাও মেতে ওঠেন মাঘ পুলির উৎসব।
পিঠাপুলির অনুষ্ঠানে দুধের সন্দেশ, পুলিপিঠা, জামপিঠা, নারিকেলের নাড়ু, সাগু বড়া, পাকনা পিঠা, সিলেটের নুনগড়া পিঠা, ফুলঝুরি, পাটিসাপ্টা, দুধচিতই, সমুচা, পাকন পিঠা, সবজি কুলি, পাতাকপি বড়া, বাদামের নাড়ুসহ বাহারি পিঠা চোখে পড়ে।
মাঘ পুলির অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের পরিচালক মতিউর রহমান সাগরের সভাপতিত্বে অতিথি ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জলি বদন তৈয়বা, সাংবাদিক সুমন মোল্লা, সাংবাদিক ওয়াহিদা আমিন পলি, বিদ্যালয়ের পরিচালক মানিক চৌধুরী, শিক্ষিকা নাসরিন সুলতানা ইলমা, অভিভাবক প্রতিনিধি ইয়াসমিন বেগম রুমা, পম্পা দেবনাথ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, গ্রামীণ মানুষের ঘরে ঘরে শীত ঋতুতেই যেন বাহারি পিঠা উৎসব বারবার হাজির হয়। শীতে নানা ধরনের পিঠার গুরুত্ব ও ভূমিকা অনেক। শীতের আগমনে সঙ্গে ঘরে ঘরে ধানের ফসল ওঠে। এতেই পিঠা উৎসবে মেতে ওঠে গ্রামের মানুষ। গ্রাম ছেড়ে শহরেও এখন পিঠা উৎসব একটি সংস্কৃতি হয়ে উঠেছে।
তারা আরও বলেন, শিশু-কিশোরদের পিঠার সঙ্গে পরিচিত করতে শিক্ষার্থীদের মায়েদের এই আয়োজন প্রশংসার দাবি রাখে। এখন ডিজিটাল যুগে অনলাইনেও বাহারি পিঠা পাওয়া যায়। একসময় গ্রামীণ ঐতিহ্য পিঠা বানানো এখন একটি শিল্প। নারীদের আর্থিক স্বাবলম্বী করে। প্রতিটি ঘরেই পিঠা বানানো হোক পরবর্তী প্রজন্ম যেন তার স্বাদ না ভুলে যায়।