গোপালগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০২৫ ২১:১৫ পিএম
আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০২৫ ২১:৪৬ পিএম
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষকে পতিত সরকারের দোসরদের তাণ্ডব উল্লেখ করে এর সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে জেলা বিএনপি। রবিবার (১২ জানুয়ারি) সকালে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শরীফ রফিকুজ্জামান বলেন, গত শুক্রবার রাতে মুকসুদপুর উপজেলায় সংঘর্ষ বিএনপির দুই পক্ষে হয়নি, বরং পতিত সরকারের দোসররা বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। পতিত সরকারের দোসরদের দলে স্থান না দেওয়ার দলীয় সিদ্ধান্ত থাকলেও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ আওয়ামী দোসরদের দলে অনুপ্রবেশ করাচ্ছেন। সংঘর্ষের ঘটনাকে তথ্যগত ত্রুটি উল্লেখ করে পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার নিন্দা ও হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ডা. কেএম বাবর, বিএনপি নেতা ও সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) কেএম সেলিম, জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল এপিপি তৌফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিকদার শহিদুল ইসলাম লেলিন, সাধারণ সম্পাদক ফজলুর কবির দ্বারা, জেলা যুবদলের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন লিপ্টন, সাধারণ সম্পাদক রাশেকুজ্জামান পলাশ, পৌর বিএনপির সভাপতি শেখ হাসিবুর রহমান হাসিব, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সাজ্জাদ হোসেন হিরা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলন শেষে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা আইনজীবী কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মুকসুদপুর উপজেলা সদরে কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ এবং বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিমের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হন। ভাঙচুর করা হয় তিনটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ অন্তত ১০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।