কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০২৫ ২১:০১ পিএম
আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০২৫ ২১:০২ পিএম
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, দাসপ্রথার একটি অংশ এখনও চা-বাগানে রয়েছে। এ প্রথা ভেঙে দিতে হবে। আপনারা যদি মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চান, তাহলে চা-বাগানগুলোতে কোনো মদের পাট্টা থাকা উচিত নয়। তিনি সেগুলো ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন চা-শ্রমিকদের।
রবিবার (১২ জানুয়ারি) বিকালে কমলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ইসলামপুর ইউনিয়নের কুরমা চা-বাগান মাঠে আয়োজিত ‘চা-শ্রমিক সমাবেশে’ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ন্যাশনাল টি কোম্পানিসহ (এনটিসি) সব চা-বাগান অবিলম্বে চালু, শ্রমিক ও চা-শিল্প রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ, মনুষ্যোচিত মজুরি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান ও চাকরি নিশ্চিত করার দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করে বাগান পঞ্চায়েত কমিটি ও চা-ছাত্র যুব সংঘ। বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়ন মনু-ধলই ভ্যালির সভাপতি ধনা বাউরীর সভাপতিত্বে ও আপন বোনার্জী রুদ্র ও ভোলা সিংহের যৌথ সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় সংগঠক প্রীতম দাশ, কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক শ্যামলী সুলতানা জ্যানি, আসাদুল্লাহ গালিব ও কুরমা চা-বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপক ইউসুফ খাঁন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন চা-শ্রমিক কন্যা খাইরুন আক্তার, স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম, পঞ্চায়েত সভাপতি নারদ পাশী, চা-শ্রমিক নারী নেত্রী গীতা রানী কানু, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক জান্নাতুল জেমি প্রমুখ।
সমাবেশে জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় সংগঠক চা-বাগানের সন্তান প্রীতম দাশ বলেন, চা-শ্রমিক জনগোষ্ঠী যুগ যুগ ধরে বৈষম্যের শিকার। ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থায় অবাধ লুটপাট চা-শিল্প ও শ্রমিককে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। চা-শ্রমিকদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, চাকরির নিশ্চয়তাসহ চা-শ্রমিকদের জীবনমানের উন্নয়ন করতে হবে।