× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

হাওরে দেশি মাছের আকাল বিপন্ন বহু প্রজাতি

জিয়াউর রহমান, নেত্রকোণা

প্রকাশ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৫ ১০:৪২ এএম

প্রবা ফটো

প্রবা ফটো

মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ জেলা নেত্রকোণা। বিশেষ করে জেলার মদন, মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুরী উপজেলা মৎস্যভান্ডার হিসেবে খ্যাত। একসময় জেলার ১০টি উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদী, খাল-বিল ও হাওরে প্রচুর দেশি প্রজাতির সুস্বাদু মাছ পাওয়া যেত। তবে দিন দিন সেসব মাছ কমে যাচ্ছে। বিপন্ন হচ্ছে দেশি মাছের বহু প্রজাতি। এতে দেশি মাছের আকাল দেখা দিয়েছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলায় মোট ৬৮টি হাওর রয়েছে। এ ছাড়া নদ-নদী ও খাল-বিলের সংখ্যা ১৮৮টি। সব মিলিয়ে জলাশয়ের পরিমাণ ১ লাখ ১৬ হাজার ৩১৫ হেক্টর। এর মধ্যে হাওরের আয়তন ৫৬ হাজার ৬৭৬ হেক্টর। জেলার উন্মুক্ত জলাশয়ে বছরে শতকরা ৪৫ শতাংশ মাছ উৎপাদন হয়। বাকি ৫৫ শতাংশ মাছ উৎপাদন হয় পুকুরে। বছরে জেলায় ৫৬ হাজার মেট্রিক টন মাছের চাহিদা থাকলেও উৎপাদন হয় প্রায় ১ লাখ ৭ হাজার মেট্রিক টন। জেলার ৪৮ হাজার ৩৮৪ জন নিবন্ধিত মৎস্যজীবী মাছ আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করেন এবং অনিবন্ধিত মৌসুমি জেলে রয়েছেন আরও প্রায় ১২ হাজার। তারা মুক্ত জলাশয়ে মাছ ধরে সংসার চালান।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মাছের মৌসুম বর্ষাকালে নদ-নদী ও হাওর-বিলগুলোতে মাছের প্রজননের ফলে বংশবিস্তার ঘটে। কিন্তু এ সময় নিষিদ্ধ বিভিন্ন প্রকার জাল যেমন কারেন্ট জাল, ভরজাল, ভেসাল জাল, চায়না দুয়ারি জাল, ম্যাজিক জাল ইত্যাদি দিয়ে পোনা মাছ শিকার করেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে শুকনো মৌসুমে বোরো আবাদের সময় হাওরের জমিগুলোতে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক প্রয়োগ এবং বর্ষা মৌসুমে কিছু অসাধু মৎস্যজীবী নির্বিচারে ওষুধ প্রয়োগ করে মাছ ধরেন। এ কারণে মাছ ধরার মৌসুমেও জলাশয়গুলোতে আশানুরূপ মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে ভাদ্র মাসের শেষে হাওরাঞ্চলসহ নদ-নদী ও খাল-বিলের পানি কমতে শুরু করে। এরপর আশ্বিন মাসের প্রথম থেকেই প্রচুর দেশি মাছ ধরা পড়তে শুরু করে। তবে এ বছর জেলার নদ-নদী ও হাওর-বিলে তেমন মাছ পাচ্ছেন না জেলেরা। এ ছাড়া বেশিরভাগ উন্মুক্ত জলাশয় প্রভাবশালীদের দখলে থাকায় সেখানে জেলে ও সাধারণ মানুষকে মাছ ধরতে না দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন জেলেসহ সাধারণ মানুষ। 

এ ব্যাপারে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শাহজাহান কবীর বলেন, এরই মধ্যে ট্যাংরা, শিং, কৈ মাছসহ বিপন্ন প্রজাতির কিছু মাছ কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে ফিরিয়ে এনেছেন মৎস্য গবেষকরা। রানী মাছসহ আরও কিছু মাছ ফিরিয়ে আনতে গবেষণা চলছে। পুকুরে মাছ উৎপাদন বেশি হলেও জেলার বাসিন্দাদের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা