কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৫ ২১:২৬ পিএম
আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০২৫ ২১:৩৭ পিএম
‘গত ১৭ বছর ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের নির্যাতনের ফলে আমরা কথা বলার অধিকার হারিয়েছি। ওই সময়ে স্বাধীনভাবে সভা সেমিনার করতে পারিনি। তাদের পেটুয়া বাহিনীর নির্যাতনে কচুয়ায় কোনো জনসভা করতে দেয়নি।
তারেক রহমানের ৩১ দফা দাবি বাস্তবায়নের মাধ্যমে কচুয়া তথা দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। অধির আগ্রহে বসে আছে গণমানুষের নেতা তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী বানাতে। তাই সংকট মোকাবিলায় সংস্কারের পাশাপাশি দ্রুত জাতীয় নির্বাচন দিন।’
শনিবার (৫ জানুয়ারি) বিকালে কচুয়ার উত্তরাঞ্চলীয় বিএনপির আয়োজনে সাচার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি আরো বলেন, আমি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জোট সরকারের আমলে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী থাকাকালীন কচুয়ায় চাঁদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাটসহ শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের চাকরির ব্যবস্থা করেছি। ওই সময়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আমাকে ও আমার স্ত্রীকে মিথ্যা ও হাস্যকর মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। আমাদের সময়ে কচুয়ার মানুষ শান্তিতে ছিল। বিএনপি শান্তিপ্রিয় দল। দেশের মানুষ বিএনপিকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় দেখতে চায়।
সাচার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আলাউদ্দিন আখন্দের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি বিল্লাল হোসেন বাবুর পরিচালনায় আরও বক্তব্য দেনÑ বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহসভানেত্রী নাজমুন নাহার বেবী, ওলামা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কাজী আবুল হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল আবেদীন স্বপন, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ফারুকী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল প্রধান জালাল, জনসভা বাস্তবায়ন কমিটির সমন্বয়কারী ইউসুফ মিয়াজী, সদস্য সচিব নজরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ এলাহী সুভাষ প্রমুখ। দীর্ঘ ১৭ বছর পর এহছানুল হক মিলনের প্রথম জনসভায় বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে এসে জনসভার স্থল জনসমুদ্রে রূপান্তরিত করে।