গাইবান্ধা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৪ ২১:০৯ পিএম
আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০২৪ ২১:১২ পিএম
গাইবান্ধায় আবাসিক ও অনাবাসিক বিদ্যুৎ সংযোগে প্রিপেইড মিটার স্থাপনের পরিকল্পনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয়রা। শনিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে শহরের ডিবি রোডের গানাসাস মার্কেটের সামনে ‘ডিজিটাল প্রিপেইড মিটার প্রতিরোধ কমিটি’র ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় গাইবান্ধা থেকে প্রিপেইড মিটার প্রকল্প প্রত্যাহারের জোরালো দাবি জানিয়ে জনগণের স্বার্থে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তারা।
ডিজিটাল প্রিপেইড মিটার প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক গোলাম রব্বানী মুসার সভাপতিত্বে এবং অ্যাডভোকেট ফারুক কবীরের সঞ্চালনায় এ সময় বক্তব্য দেন প্রিপেইড মিটার প্রতিরোধ কমিটির সদস্যসচিব জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন বাবু, পরিবেশ আন্দোলনের জেলা সভাপতি ওয়াজিউর রহমান রাফেল, গাইবান্ধা আদর্শ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মমতাজুর রহমান বাবু, কুলি শ্রমিক ইউনিয়নের জেলা সভাপতি রেজাউন্নবী রাজু, দলিল লেখক সমিতির জেলা সভাপতি মোস্তা মল্লিক, নাগরিক মঞ্চের আহ্বায়ক ও জেলা বারের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বাবু, জনউদ্যোগের সদস্যসচিব প্রবীর চক্রবর্ত্তী, শ্রমিক নেতা কাজী আব্দুল ওয়াদুদ, বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের অ্যাডভোকেট শাহনেওয়াজ খান, ছাত্র ইউনিয়নের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মৈত্রেয় হাসান জয়িতা, মানবাধিকারকর্মী মনির হোসেন সুইট, কাজী আব্দুল খালেক প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা গাইবান্ধাকে একটি অনুন্নত ও নিম্ন আয়ের মানুষ অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, প্রিপেইড মিটার সংযোগ দেওয়া হলে স্থানীয় সাধারণ গ্রাহক আর্থিক ক্ষতি ও হয়রানির মুখে পড়বেন। কারণ প্রতি রিচার্জে ২৪০ টাকা চার্জ এবং মিটার ভাড়া হিসেবে ৪০ টাকা কর্তন করা হবে। এ ছাড়াও ডিমান্ড চার্জ ও সারচার্জ আরোপ করা হবে, যা সাধারণ গ্রাহকদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়াবে।
বক্তারা আরও বলেন, গাইবান্ধার সাধারণ গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল কখনও বকেয়া থাকে না। বকেয়া থাকে সরকারি ও আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর। তারা এই প্রকল্প থেকে গাইবান্ধাকে বাদ দেওয়ার জোর দাবি জানান। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেন প্রতিবাদে অংশগ্রহণকারীরা।