চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৪ ২১:৩৬ পিএম
আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০২৪ ২১:৪৬ পিএম
ভারতীয় কোস্টগার্ডের হাতে আটক হওয়া একটি ট্রলার। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার শেষ প্রান্তে মাছ আহরণের সময় ৭৯ নাবিকসহ দুটি ট্রলার জব্দ করে নিয়ে গেছে ভারতীয় কোস্টগার্ড। সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় তারা ট্রলারসহ নাবিকদের ধরে নিয়ে যায় বলে নিশ্চিত করেছে নৌপরিবহন অধিদপ্তর।
সংস্থাটির চিফ নটিক্যাল সার্ভেয়ার ক্যাপ্টেন মো. গিয়াসউদ্দিন আহমেদ প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘ফিশিং ট্রলার দুটিতে থাকা নাবিক এবং জেলেরা নিরাপদে আছেন। ট্রলার দুটি বর্তমানে ভারতের পারাদ্বীপ বন্দরে নোঙর করা অবস্থায় আছে।’
ট্রলার দুটি উদ্ধারে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার বিকালে আমরা বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, জাহাজের মালিকপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেছি। ট্রলারগুলো ফিরে আনতে বাংলাদেশের কোস্টগার্ডসহ সরকারি সংস্থাগুলো ভারতের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে। এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছি।
এই দুটি নৌযান হল এফবি মেঘনা–৫ ও এফভি লায়লা–২। এফভি মেঘনা–৫ এর মালিক প্রতিষ্ঠান সিঅ্যান্ডএ অ্যাগ্রো লিমিটেড। আর এফভি লায়লা–২–এর মালিক প্রতিষ্ঠান এস আর ফিশিং।
ট্রলার দুটির মালিকপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার রাতে আমরা জানতে পারি ভারতীয় কোস্টগার্ড এসে ট্রলার দুটি জব্দ করেছে। তাদের অভিযোগ, ট্রলার দুটি বাংলাদেশের সীমানা ক্রস করে তাদের সীমানায় গিয়ে মাছ আহরণ করছিল। এরপর বিষয়টি আমরা চিঠি দিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রণালয়, মেরিন ফিশারিজ একাডেমি এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরকে অবহিত করেছি।
এ সম্পর্কে জানতে চাইলে সিঅ্যান্ডএ অ্যাগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল ওয়াহেদ প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ট্রলার দুটি আমাদের সমুদ্রসীমার কাছেই মৎস্য আহরণে নিয়োজিত ছিল। সেখান থেকে গতকাল সোমবার সকালে ভারতীয় কোস্টগার্ডের একটি নৌযান ট্রলার দুটি ধরে নিয়ে যায়। তাদের ভারতীয় জলসীমায় প্রবেশ করায় তারা ট্রলার দুটি আটক করেছে।
তিনি আরও জানান, আমাদের সঙ্গে আজ বেলা ১১টায় নাবিকদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা ভালো আছেন। কোস্টগার্ড ধরে নেওয়ার পর ভারতীয় নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেছে বলে আমরা জেনেছি। এর বেশি আপডেট আমাদের কাছে নেই।