নোমান মুন্না জয়
প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৪ ১২:২৪ পিএম
আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৪:০৫ পিএম
ডাকাত দলের চার সদস্য ওপরে বাঁ থেকে রোমান, বিল্লাল, ফারুক ও বাদল। প্রবা ফটো
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলা যেন ডাকাতের আস্তানা। যেখানে এখন পর্যন্ত ডাকাতি কমানো সম্ভব হয়নি। স্থানীয়রা জানান, ‘আড়াইহাজারে প্রতিনিয়ত ডাকাতি হচ্ছে। কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না।’
৫ আগস্ট সরকার পতনের পর আড়াইহাজার থানা পুড়িয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। পাশাপাশি থানা থেকে বিভিন্ন মালামাল ও অস্ত্রাগার থেকে লুট হয় অস্ত্র। আগে ডাকাতি হলেও ৫ আগস্টের পর তা বেড়ে দু-তিন গুণ হয়েছে। সড়ক ও বাসাবাড়িতে ডাকাতি হচ্ছে প্রতিনিয়ত।
সাধারণ মানুষ রাতে বাসায় অবস্থান করতেও এখন ভয় পাচ্ছে। এ ছাড়া রাতে বাসা থেকে বের হতে পারেন না রিকশা, ভ্যান ও অটো চালকরা। স্থানীয়রা জানান, ‘এখন প্রতিনিয়ত ডাকাতি বেড়েই চলেছে। কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না। প্রতি রাতেই ১০টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত ডাকাতের ভয়ে ঘুম আসে না। এ ছাড়া এলাকায় পাহারার ব্যবস্থা করেছি। তবু শীত আসতেছে, ডাকাতি বাড়তেছে।‘
স্থানীয়রা আরও জানান, ‘৫ আগস্ট থানা থেকে লুট করা অস্ত্র দিয়ে আড়াইহাজারের বিভিন্ন জায়গায় ও বাসাবাড়িতে ডাকাতরা বিভিন্ন সময় ডাকাতি করে যাচ্ছে; যা বুঝতেছি, বসতবাড়ি বিক্রি করে এখান থেকে চলে যেতে হবে।’ এ ছাড়া আরও এক বাসিন্দা জানান, ‘আমার বাড়িতে কিছুই নেই। তবু কী দেখে আমার বাসায় ডাকাত এসেছিল জানি না। এ আড়াইহাজারে ভালোমানুষের চেয়ে ডাকাতের সংখ্যা বেশি।’
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. আনিসুর রহমান বলেন, ‘আগের থেকে ডাকাতি কমিয়ে এনেছি। তবু থানা লুটপাট ও আগুন দেওয়ায় গাড়ি পুড়ে গেছে। বর্তমানে একটি গাড়ি থাকায় পুরো আড়াইহাজারে টহল সম্ভব হচ্ছে না। তবু আমরা জনসাধারণের নিরাপত্তায় সর্বদা কাজ করে যাচ্ছি।’