আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৯:৪৪ পিএম
আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৯:৫৩ পিএম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন কর্মসূচিতে পালিত হয়েছে আখাউড়া মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে আখাউড়া মুক্ত হয়। শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে কর্মসূচির মধ্যে ছিল পুষ্পস্তবক অর্পণ, শোভাযাত্রা, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা। এর আগে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পৌর মুক্তমঞ্চে মোমবাতি জ্বালিয়ে শহীদ স্মরণ ও শ্রদ্ধা জানানো হয়।
গত কয়েক বছর ধরে দিবসটি সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে পালিত হয়। প্রদীপ প্রজ্বালন ছাড়াও গতকাল উপজেলা প্রশাসন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের উদ্যোগে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও পতাকা উত্তোলনের আয়োজন করা হয়।
গতকাল সকাল সাড়ে ৯টায় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির শুরু হয়। পরে উপজেলা পরিষদ থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে পোস্ট অফিসের সামনে শেষ হয়। সেখানে জাতীয় সংগীতের সুরে পতাকা ওঠানো হয়। উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা, বিএনপি, জামায়াত, সাংবাদিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেয়। ১৯৭১ সালের এই দিনে পোস্ট অফিসের সামনেই প্রথম জাতীয় পতাকা ওঠানো হয়েছিল।
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন খান স্বাধীনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) গাজালা পারভীন রুহি।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সজিব মিয়া, আখাউড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন আব্দু, আখাউড়া থানার ওসি মো. ছমিউদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার সৈয়দ জমশেদ শাহ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বাহার মালদার, প্রেস ক্লাব সভাপতি মো. মানিক মিয়া, জামায়াতে ইসলামের আমির মো. ইকবাল হোসেন, মোগড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ডা. এনামুল হক মামুন প্রমুখ।
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান মো. জালাল হোসেন মামুনের সঞ্চালনায় এতে স্বাগত বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের প্রধান উপদেষ্টা দীপংকর ঘোষ নয়ন।