× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

পঞ্চগড় হানাদারমুক্ত দিবস আজ

পঞ্চগড় প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর ২০২৪ ১৭:০২ পিএম

পঞ্চগড় হানাদারমুক্ত দিবস আজ

আজ ২৯ নভেম্বর, পঞ্চগড় হানাদারমুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিকামী জনতা কঠিন লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে পঞ্চগড়কে হানাদারমুক্ত করেছিলেন। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এই দিনটি যেমন আনন্দের, তেমনি স্বাধীনতাবিরোধীদের জন্য লজ্জার। দিবসটি উপলক্ষে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও জেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণভাবে দিনটি পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইতিহাসের পাতা থেকে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর পাকিস্তানি বাহিনী সারা দেশে আক্রমণ শুরু করলেও ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত পঞ্চগড় মুক্ত থাকে। পাকিস্তানি বাহিনী সড়ক পথে এসে ১৭ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পঞ্চগড় দখল করে। পরে জেলার চার থানা তারা দখলে নিলেও অমরখানায় চাওয়াই নদীর ওপর একটি ব্রিজ মুক্তিযোদ্ধারা ভেঙে দেওয়ায় পাকিস্তানিরা আর কখনও তেঁতুলিয়া ঢুকতে পারেনি। মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়কাল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ছিল পাক হানাদারমুক্ত। স্বাধীনতা যুদ্ধকালে মুক্তাঞ্চল হিসাবে তেঁতুলিয়া সকল কর্মকাণ্ডের তীর্থভূমিতে পরিণত হয়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে অস্থায়ী সরকারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সভা তেঁতুলিয়াতেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

১৯৭১ সালের ১ নভেম্বর থেকে মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে ভারতীয় মিত্রবাহিনী যৌথভাবে হানাদার বাহিনীর ডিফেন্সের ওপর হামলা চালায়। ফলে প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা মুক্ত হতে থাকে। মরণ কামড় হিসেবে মুক্তি ও মিত্রবাহিনী পর্যায়ক্রমে হানাদার বাহিনীর ওপর প্রচণ্ড আক্রমণ চালিয়ে ২০ নভেম্বর অমরখানা, ২৫ নভেম্বর জগদলহাট, ২৬ নভেম্বর শিংপাড়া, ২৭ নভেম্বর পূর্ব তালমাসহ একই দিনে আটোয়ারী, মির্জাপুর, ধামোর, শক্রমুক্ত করে। এ ছাড়াও সেই রাতেই তারা পঞ্চগড় সিও অফিস ও ঘাটিয়ারপাড়া এলাকায় ফ্রন্টলাইন গড়ে তেলেন। ২৮ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা চারদিক থেকে পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর ঝড়ো আক্রমণ করেন। এ আক্রমণে পঞ্চগড় শহরের পূর্বদিকে ডিফেন্স নিয়ে থাকা বাহিনী টিকতে না পেরে টুনিরহাট দেবীগঞ্জ ভায়া ডোমার হয়ে কাঁচা রাস্তা ধরে সৈয়দপুর অভিমুখে পিছু হটতে থাকে। ওইদিন রাতে মুক্তিবাহিনী, মিত্রবাহিনীসহ ট্যাংক ও পদাতিক বাহিনীর সম্মিলিত সাঁড়াশি আক্রমণে পরাজিত হয়ে পাকিস্তানি বাহিনী পঞ্চগড়ের মাটি ছেড়ে চলে গেলে ২৯ নভেম্বর ভোরে পঞ্চগড় হানাদার মুক্ত হয়। এদিন তাদের সাথে ভয়াবহ যুদ্ধে ৪৮ মুক্তিযোদ্ধাসহ শতাধিক মিত্রবাহিনীর সদস্য শহীদ হন। আহত হন অনেকে। 

প্রতি বছরের মতো এবারও জেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে দিনটি জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ ও শহরের চৌরঙ্গী এলাকায় করতোয়া সেতুর উত্তর পাড়ে শহীদ বধ্যভূমিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। পরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। 


শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা