× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

হিলি স্থলবন্দর

চাল আমদানি হলেও প্রভাব নেই খুচরা বাজারে

মোকছেদুল মমিন মোয়াজ্জেম, হিলি (দিনাজপুর)

প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর ২০২৪ ০৯:৫০ এএম

আপডেট : ১৬ নভেম্বর ২০২৪ ১০:৩৭ এএম

দিনাজপুরের হিলি বন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়েছে। কিন্তু বাজারে এখনও দাম কমেনি। শুক্রবার বন্দরের বাজারের একটি দোকানে। প্রবা ফটো

দিনাজপুরের হিলি বন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়েছে। কিন্তু বাজারে এখনও দাম কমেনি। শুক্রবার বন্দরের বাজারের একটি দোকানে। প্রবা ফটো

ভারত থেকে শুল্কমুক্ত চাল আমদানি হলেও দাম কমছে না দিনাজপুরের হিলি বন্দরের খুচরা বাজারে। আমদানি স্বাভাবিক থাকলেও খুচরা বাজারে প্রভাব পড়েনি, বরং আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে চাল। আমদানিকারকরা বলছেন, আমদানিকৃত চাল বাজারে এলেই দাম কমে যাবে। বাজারে দেশি চাল থেকে ভারতীয় চালের দাম বেশি বলে অভিযোগ সাধারণ বিক্রেতাদের। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘ দেড় বছর চাল আমদানি বন্ধ থাকার পর আবারও এই স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়েছে। এসব চাল ভারত থেকে টনপ্রতি প্রকারভেদে ৪১০ থেকে ৪৭০ মার্কিন ডলারে আমদানি হচ্ছে। হিলি বন্দর দিয়ে সর্বশেষ গত বছরের ৩০ মার্চ চাল আমদানি হয়েছিল। চাল আমদানিতে শুল্ক ৬২ দশমিক ৫ ভাগ থাকার পরে গত ২০ অক্টোবর তা কমিয়ে ২৫ ভাগ করে সরকার। পরে ৩১ অক্টোবর চাল আমদানিতে শুল্ক সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করে নেয় সরকার।

অটোরিকশাচালক ফরিদুল হোসেন নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘শুনলাম ভারত থেকে আমাদের বন্দরে চাল আমদানি হচ্ছে। যদি তাই হয় তাহলে কেন এখনও বাজারে চালের দাম কমেনি। সরকার তো দেশে চালের দাম স্বাভাবিক রাখতে ভারত থেকে চাল আমদানি করছে।’

হিলি বাজারে চাল কিনতে আসা বিকাস টপ্প নামে আরেকজন বলেন, ‘আমরা খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। বর্তমান জিনিসপত্রের যে দাম তাতে সংসার চলানো দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে চালের দামটা একটু স্বাভাবিক থাকলে আমাদের অনেক উপকার হতো।’

বাজারের চাল ব্যবসায়ী পাপ্পু বলেন, ‘চাল আমদানি অব্যাহত থাকলেও খুচরা বাজারে কোনো প্রভাব পড়েনি। আটাশ জাতের চাল কেজিপ্রতি দুই টাকা বেড়ে ৫৮ টাকা, শম্পা কাটারি তিন টাকা বেড়ে ৬৮ টাকা, স্বর্ণা জাতের চাল কেজিপ্রতি দুই টাকা বেড়ে ৪৮ টাকা এবং জিরাশাইল জাতের চাল ৬৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে হিলি স্থলবন্দরের পাইকারি মোকামে ভারত থেকে আমদানিকৃত রত্না আতপ জাতের চাল কেজিপ্রতি ৫৮ টাকায় এবং স্বর্ণা জাতের চাল ৫৩ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চালের দাম না কমার কারণে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। এ ছাড়া দেশি চালের চেয়ে ভারতীয় চালের দাম বেশি। এই কারণে ভারতীয় চাল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে ক্রেতারা।’ 

হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী বলেন, ‘দেশের বাজারে চালের দাম স্বাভাবিক রাখতে ভারত থেকে চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। আমদানি অব্যাহত থাকলে দেশের বাজারে চালের দাম কমে আসবে। এই স্থলবন্দর দিয়ে ১৩ জন আমদানিকারক ৯১ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি পেয়েছেন। এখন পর্যন্ত ৩২ জন আমদানিকারক ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি বা ইমপোর্ট পারমিট পেয়েছেন।’

হিলি কাস্টমস কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, গত সোমবার থেকে বৃহস্পতিবারÑ এ চার দিনে ভারতীয় ৫৭ ট্রাকে ২ হাজার ৮৩ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা