শেরপুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ নভেম্বর ২০২৪ ১৮:৪৩ পিএম
আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০২৪ ১৯:১৯ পিএম
শেরপুরের নকলায় পিকআপের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে শিশুসহ চারজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও তিনজন।
বুধবার (১৩ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ময়মনসিংহ-শেরপুর আঞ্চলিক সড়কের নকলা উপজেলার পাইস্কা বাইপাস এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো- নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা উপজেলার লাউদানা এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের কন্যা তায়েবা, শেরপুর সদর উপজেলার পালাশিয়া এলাকার সুলতান মিয়ার পুত্র তাজেন মিয়া, ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার কাজিয়া কান্দা এলাকার সুলতান মিয়ার স্ত্রী সুবিনা বেগম এবং ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার সাহাপুর এলাকার আবুল কাসেমের পুত্র আলাল উদ্দিন।
আহতরা হলেন- নিহত তায়েবার বড় বোন তোয়া, ছোট ভাই আদনান ছাবিদ ও মা উম্মে সালমা। তারা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলার লাউদানা এলাকার উম্মে সালমা তার দুই মেয়ে ও শিশুপুত্রকে নিয়ে দুই দিন আগে শেরপুরের এক আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে আসেন। আজ ময়মনসিংহের উদ্দেশে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে রওনা হন। এ সময় অটোরিকশাতে অন্য যাত্রীরাও ওঠেন।
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অটোরিকশাটি নকলার গড়েরগাও থেকে পাইস্কা বাইপাস হয়ে ময়মনসিংহ-শেরপুর আঞ্চলিক সড়কে ওঠার সময় দ্রুতবেগে আসা ময়মনসিংহ-শেরপুরগামী পিকআপটি ধাক্কা দেয়। এ সময় অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মারা যায় তায়েবা ও তাজেন মিয়া।
এ সময় সিএনজিচালকসহ বাকিরা আহত হলে স্থানীয়রা প্রথমে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। আহতের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসক। পথে সুবিনা বেগম ও আলাল উদ্দিন মারা যান।
নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবর রহমান বলেন, দুপুরে নকলার পাইস্কা বাইপাসে সিএনজিচালিত অটোরিকশা-পিকআপের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই দুজন মারা যায়। আরো পাঁচজন আহত হয়। আহতদের মধ্যে আরও দুজন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
তিনি বলেন, পিকআপের চালক পলাতক রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশা ও পিকআপটি উদ্ধার করে থানা হেফাজতে আনা হয়েছে। পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।