ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ নভেম্বর ২০২৪ ১৯:৩৩ পিএম
আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০২৪ ১৯:৪৩ পিএম
অন্তর্বর্তী সরকারের নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ভৈরব বন্দর অনেক পুরোনো। এই বন্দরের উন্নয়ন জরুরি। ভৈরবকে কীভাবে আন্তর্জাতিক নৌবন্দরে পরিণত করা যায়, এজন্য কাজ করা হচ্ছে।
সোমবার (১১ নভেম্বর) ভৈরব বন্দর এলাকা পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আশুগঞ্জে আন্তর্জাতিক কার্গো টার্মিনাল হচ্ছে। ভারতের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে টার্মিনালটি তৈরি হলেও এর সুফল ভারত-বাংলাদেশ যৌথভাবেই ভোগ করবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ভৈরবে অল্প সময়ের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে। এই কাজ আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে করতে না পারলে প্রজেক্টটি হাতছাড়া হয়ে যাবে।’
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বলেন, ‘বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ৯৭ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি পল্টুনে তৈরি করে চারটি প্রজেক্টের মাধ্যমে কাজ করা হবে। কাজগুলো হবে আন্তর্জাতিক মানের। ১০ দিনের মধ্যে কাজ শুরু হবে। আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করা হবে। এর ব্যতিক্রম হলে বরাদ্দ ফেরত যাবে। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে বেল্টের মাধ্যমে মালামাল ওঠানামা করবে। পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ভৈরবসহ এই অঞ্চলের চেহারা পাল্টে যাবে।’
প্রকল্পের কাজ চলাকালে সাময়িক অসুবিধা হবে এবং সেই অসুবিধা ভৈরববাসীকে মেনে নিতে অনুরোধ জানিয়ে উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘প্রকল্পের কাজ শেষ হলে কর্মসংস্থানের পরিধি আরও বড় হবে। বন্দরের পাশে যাদের দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আছে এবং যারা জমির মালিক, যদি তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি ও খতিয়ান ঠিক থাকে তাদের সবাইকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।’
ভৈরব বন্দর পরিদর্শন শেষে সাখাওয়াত হোসেন আশুগঞ্জ বন্দর পরিদর্শনে যান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান আরিফ আহমেদ, প্রকল্প পরিচালক আইয়ুব আলী, ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শবনম শারমিন প্রমুখ।